সব গন্তব্য
শুধু যাচাইকৃত উৎস — ফাঁকা জায়গা বানানো তথ্য দিয়ে ভরা হয় না।
বরিশাল বিভাগ (Barishal)
ভীমরুলী ভাসমান গুয়াবা বাজারপ্রকৃতি ও বন · ঝালকাঠি, বরিশালবর্ষাকালে খালে নৌকাভরা গুয়াবার পাইকারি বাজার — কৃষকেরা ডিঙি নৌকায় গুয়াবা নিয়ে আসেন, ঢাকা-চট্টগ্রামের পাইকাররা নৌকা থেকেই কেনেন। মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার দর্শনার্থী আসে; ভাসমান হোটেলে স্থানীয় মাছ ও হাঁসের খাবারও পাওয়া যায়। মৌসুম জুলাই–সেপ্টেম্বর; দুপুর বাণিজ্যের সময় দেখা সবচেয়ে ভালো।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বিবিচিনি শাহী মসজিদঐতিহাসিক · বরগুনা, বরিশালবেতাগী উপজেলার বিবি চিনি গ্রামে অবস্থিত ১৭শ শতাব্দীর মুঘল রীতির এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ। ৩৩x৩৩ ফুট আয়তনের মসজিদের দেয়াল প্রায় ৬ ফুট পুরু; ১৯৯২ সালে এটি প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষিত নিদর্শন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। মসজিদ ও গ্রামের নামকরণ শাহ নিয়ামতউল্লাহর কন্যা বিবি চিনির নামে বলে উল্লেখ আছে। এখনও কার্যরত মসজিদ — নামাজের সময় সংযত থাকুন।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
চর কুকরিমুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যপ্রকৃতি ও বন · ভোলা, বরিশালভোলার দক্ষিণ প্রান্তে মেঘনার মোহনায় বঙ্গোপসাগরের মুখে অবস্থিত চর দ্বীপে ১৯৮১ সালে ঘোষিত ৪০ হেক্টরের অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ, জোয়ারের বন ও দীর্ঘ বালুকাময় সৈকতের সমন্বয়; শীতে জলচর ও উপকূলীয় পাখির ভিড় বাড়ে। দ্বীপে কোনো আনুষ্ঠানিক আবাসন নেই, দিনভ্রমণ করে ভোলায় ফেরা স্বাভাবিক; নৌকা ও গাইড আগে থেকে বন্দোবস্ত করুন।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
দুর্গাসাগরপ্রকৃতি ও বন · বরিশাল, বরিশালদক্ষিণ বাংলাদেশের বৃহত্তম দিঘি, বরিশাল শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে বাবুগঞ্জের মাধবপাশায়। ১৭৮০ সালে রাজা জয়নারায়ণের মা রানি দুর্গাবতী এটি খনন করান; মোট আয়তন প্রায় ২৫ হেক্টর। দিঘির মাঝে কৃত্রিম দ্বীপ আছে এবং শীতকালে অতিথি পাখি আসে। গুঠিয়া মসজিদ কাছাকাছি হওয়ায় একই ট্রিপে দুটো দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
গুঠিয়া মসজিদ (বাইতুল আমান জামে মসজিদ)ঐতিহাসিক · বরিশাল, বরিশাল২০০৩ সালে নির্মাণ শুরু হওয়া ১৪ একরের একটি আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স, যাতে মসজিদ, ঈদগাহ, তিনটি লেক, মাদ্রাসা ও এতিমখানা আছে। ৫৮ মিটার উঁচু সাদা মার্বেল পাথরের মিনারটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু বলে উল্লেখ করা হয়। লেকের পানিতে মসজিদের প্রতিবিম্ব আর সন্ধ্যার আলোকসজ্জা দেখতে বিকেলে যাওয়া ভালো। বরিশাল থেকে দিনের ট্রিপে দুর্গাসাগরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতসমুদ্রসৈকত · পটুয়াখালী, বরিশালদক্ষিণ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত। একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায় বলে এটি 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
লেবুরচরসমুদ্রসৈকত · পটুয়াখালী, বরিশালকুয়াকাটা সৈকত থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্বে প্রায় ১,০০০ একরের প্রাকৃতিক চর, কেওড়া, গেওয়া, গোরান, কড়ই, গোলপাতা গাছে ঢাকা। শান্ত সৈকত আর উপকূলীয় বনের ছোঁয়া পেতে চাইলে কুয়াকাটার বিকল্প হিসেবে ভালো; কুয়াকাটার সঙ্গে একই ট্রিপে দেখা যায়। চরে কোনো দোকান বা থাকার ব্যবস্থা নেই।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মমিন মসজিদঐতিহাসিক · পিরোজপুর, বরিশালমঠবাড়িয়ার বুড়িরচরে অবস্থিত কাঠের তৈরি ঐতিহাসিক মসজিদ; ১৯১৩ সালে মোমিন উদ্দিন আকন ২১ জন কারিগর নিয়ে নির্মাণ শুরু করেন এবং প্রায় সাত বছরে সম্পন্ন হয়। কীলক ছাড়া জোড়া কাঠের কারুকাজ, লোহাকাঠ ও বার্মিজ সেগুন ব্যবহৃত; ২০০৩ সালে এটি জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষিত হয় এবং ২০০৮ থেকে সংস্কার চলে। কাঠের স্থাপত্য বিরল বলে ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মনপুরা দ্বীপপ্রকৃতি ও বন · ভোলা, বরিশালমেঘনা নদীর মোহনায় ভোলার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত দ্বীপ উপজেলা (আয়তন প্রায় ৩৭৩ বর্গ কিমি)। ২০০৯ সালের 'মনপুরা' চলচ্চিত্রের পর পর্যটকদের কাছে পরিচিত হয়। দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের বালুকাময় তট (দক্ষিণ হাওয়া সৈকত) থেকে সূর্যাস্ত, প্রান্তের ম্যানগ্রোভে চিত্রা হরিণ আর বাঁধ ধরে সাইকেল চালানো মূল আকর্ষণ। আবাসন খুবই সাধারণ মানের — সরকারি ডাকবাংলো ও ছোট গেস্টহাউস।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
অক্সফোর্ড মিশন গির্জা (এপিফানি চার্চ)ঐতিহাসিক · বরিশাল, বরিশাল১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত লাল ইটের গ্রিক রীতির ঐতিহাসিক গির্জা, বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম গির্জা। বাইরে থেকে পাঁচতলা মনে হলেও ভেতরে এক তলার বিশাল প্রার্থনা কক্ষ, ৪০টি খিলানপথ ও দীর্ঘ করিডোর আছে। ৩৫ একরের কম্পাউন্ডে ১৩টি পুকুর, স্কুল ও হাসপাতাল রয়েছে। সম্পূর্ণ খোলা পর্যটনস্থল নয় — গির্জা ভবনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত, বাইরে থেকে দেখা যায়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃতশুভশোন্ধা সৈকতসমুদ্রসৈকত · বরগুনা, বরিশালবরগুনার সবচেয়ে দক্ষিণের তালতলী উপজেলার উপকূলে উইকিপিডিয়ায় উল্লিখিত একটি সৈকত; পায়রা–বিষখালী–বঙ্গোপসাগরের মোহনা এলাকায় পর্যটক আসে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য কম — দূরবর্তী, কম-পরিচিত উপকূলীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করুন এবং স্থানীয়ভাবে বর্তমান অবস্থা যাচাই করুন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডসুজাবাদ দুর্গ (নিদর্শন)ঐতিহাসিক · ঝালকাঠি, বরিশাল১৬৫৪ সালে মগ-পর্তুগিজ জলদস্যু দমনে শাহজাদা শাহ সুজা নালচিতির শুজাবাদে দুটি দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন বলে ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ আছে। এটি উন্নত পর্যটনস্থল নয় — দুর্গের অবশেষ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য বিস্তারিত তথ্য কম; ইতিহাস-অনুরাগীদের জন্য ঝালকাঠি ভ্রমণের সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করুন এবং স্থানীয়ভাবে বর্তমান অবস্থা খোঁজ নিন।
অয়াচাইকৃত
সোনারচরসমুদ্রসৈকত · পটুয়াখালী, বরিশালরাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা ম্যানগ্রোভ-ঘেরা চর, পটুয়াখালী সদর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। প্রায় ৯ কিলোমিটার লম্বা সৈকতে ভোরবেলা ছোট লাল কাঁকড়ার দল দেখা যায়; বন বিভাগের তথ্যমতে চরে হরিণ ও বানরও আছে, শীতে অতিথি পাখি আসে। দ্বীপে হোটেল নেই — বন বিভাগের ক্যাম্পে অথবা ক্যাম্পিং করতে হয়, রাত কাটানো সাধ্যের মধ্যে কঠিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
স্বরূপকাঠীর ভাসমান গুয়াবা বাজার (আটঘর/কুরিয়ানা/কীর্তিপাশা)প্রকৃতি ও বন · পিরোজপুর, বরিশালনেসারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার কীর্তিপাশা খালে বসা ভাসমান গুয়াবা বাজার — বরিশাল অঞ্চলের প্রাণ হিসেবে পরিচিত আটঘর-কুরিয়ানা এলাকার বাজারও এই উপজেলাতেই। জুলাই থেকে গুয়াবা আসা শুরু হয়, সেপ্টেম্বর পর্যন্ন চলে; পাইকারি বেচাকেনার সময় (দুপুরে) যাওয়া সবচেয়ে ভালো। ভীমরুলীর সঙ্গে একই দিনে মিলিয়ে দেখা যায়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
তেন্দ্রাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (ফাতরার বন)প্রকৃতি ও বন · বরগুনা, বরিশালতালতলীর কাছে ৪,০৪৮ হেক্টর আয়তনের উপকূলীয় বন, স্থানীয়ভাবে 'ফাতরার বন' নামে পরিচিত; ২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘোষিত হয়। পায়রা–বিষখালী নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনার পাশে ম্যানগ্রোভ ও সমুদ্রসৈকতের সমন্বয়। অবকাঠামো সীমিত — স্থানীয় বন কর্মী বা গাইডের সহায়তা নিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডচট্টগ্রাম বিভাগ (Chattogram)
আলুটিলা গুহাপ্রকৃতি ও বন · খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রামপ্রায় ১,০০০ মিটার লম্বা আলুটিলা (অরবরী) পাহাড়ের ভেতরে ১০০ মিটার দীর্ঘ প্রাকৃতিক গুহা; তলদেশে ঠান্ডা পানি বয়। ভেতরে অন্ধকার — মশাল/টর্চ লাগে। খাগড়াছড়ি শহর থেকে সহজ দিনভ্রমণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডআস-সালাম জামে মসজিদ, রামগতিঐতিহাসিক · লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামরামগতির চরপরগাছা ইউনিয়নে দুইতলা, জানালাবিহীন নকশার আধুনিক মসজিদ — দৈনিক স্টার অনুযায়ী স্বাভাবিক আলোয় আলোকিত হয়; বর্ষা-শীতের আবহাওয়া অনুভব করা গেলেও ভেতরে ভিজা/গরম লাগে না। আশপাশে শিক্ষা কমপ্লেক্স গড়ে উঠেছে; জেলার বাইরে থেকেও দর্শনার্থীরা আসেন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বিজয় সিংহ দীঘিঐতিহাসিক · ফেনী, চট্টগ্রামফেনী শহর থেকে প্রায় ২ কিমি পশ্চিমে মহিপালে ৩৭.৫৭ একরের প্রাচীন জলাশয়; বাংলা উইকিপিডিয়া অনুযায়ী সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় সেন (প্রচলিত নামে বিজয় সিংহ) খনন করান। উঁচু চৌপাড় ও গাছপালায় ঘেরা শহরের হাঁটার মতো দর্শনীয় স্থান।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বগা হ্রদপ্রকৃতি ও বন · বান্দরবান, চট্টগ্রামরুমা উপজেলার পাহাড়ের গভীরে প্রায় ৩৮০ মিটার উচ্চতায় প্রাকৃতিক মিঠাপানির হ্রদ; গড় গভীরতা প্রায় ৩৮ মিটার। পাশে বম পাড়া, হোমস্টে থাকা যায়। কিংবদন্তি অনুযায়ী ভূমিকম্পে পাহাড় ধসে হ্রদের সৃষ্টি।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বুদ্ধ ধাতু জাদি (স্বর্ণ মন্দির)ঐতিহাসিক · বান্দরবান, চট্টগ্রামবাংলাদেশের বৃহত্তম থেরবাদ বৌদ্ধমন্দির, ৬০ মিটার উঁচু টিলার উপর ২০০০ সালে সম্পন্ন। বুদ্ধের ধাতু (অস্থি অবশেষ) ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বুদ্ধমূর্তি এখানে। বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি; প্রবেশে কড়া পোশাকবিধি।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
চাঁদপুর ত্রিমোহনা (বড় স্টেশন)প্রকৃতি ও বন · চাঁদপুর, চট্টগ্রামপদ্মা-মেঘনা-(দক্ষিণে ডাকাতিয়া) নদীর মোহনা, স্থানীয়ভাবে ‘মোলহেড’ বলা ‘বড় স্টেশন’ এলাকা থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যায়। ট্রলার ভ্রমণ ও ইলিশের শহরের অভিজ্ঞতা — বিকেলের দৃশ্য সেরা। বিএসএস প্রতিবেদনে ট্রলারে জনপ্রতি ১০০ টাকা ভাড়ার উল্লেখ আছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিঐতিহাসিক · চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামকমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবরস্থান; ৭৩১টি কমনওয়েলথ কবর (১৭টি অজ্ঞাতনামা), এছাড়া ১৯ জন জাপানি সৈনিকের কবর। শান্ত, সুপরিচ্ছদ পাহাড়ি-উদ্যান পরিবেশ। ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
চিম্বুক পাহাড়পাহাড় · বান্দরবান, চট্টগ্রামবাংলা উইকিপিডিয়া অনুসারে বান্দরবান জেলার তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৫০০ ফুট উঁচু। থানচি সড়কে বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ২৬ কিমি দূরে। চারপাশের পাহাড়ি গ্রাম ও দৃশ্য দেখার মতো।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসমুদ্রসৈকত · কক্সবাজার, চট্টগ্রামবিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্রসৈকতগুলোর একটি — প্রায় ১২০ কিলোমিটার ধরে বিস্তৃত। লাবণী, ইনানী ও সুগন্ধা পয়েন্ট সবচেয়ে জনপ্রিয়। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য বিখ্যাত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
দালালবাজার জমিদার বাড়িঐতিহাসিক · লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামপ্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি, জেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিমি দূরে ঢাকা-রাইপুর সড়কের পাশে। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী জমিদার লক্ষ্মী নারায়ণের নামেই লক্ষ্মীপুরের নামকরণ। এলাকার নাম-ইতিহাসে আগ্রহীদের জন্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরশহুরে / দিনভ্রমণ · চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামবাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, আগ্রাবাদে অবস্থিত। দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস, ঘরবাড়ি, পোশাক ও সংস্কৃতির প্রদর্শনী — পার্বত্য চট্টগ্রাম ভ্রমণের আগে-পরে দেখলে প্রেক্ষাপট পাওয়া যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ফয়েজ লেকশহুরে / দিনভ্রমণ · চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম১৯২৪ সালে রেলওয়ের পানি সরবরাহের জন্য পাহাড়ি ঝর্ণায় বাঁধ দিয়ে তৈরি কৃত্রিম হ্রদ, পাহাড়তলী রেল কলোনির পাশে। এখন হ্রদ ঘিরে থিম পার্ক (কনকর্ড) ও পাহাড়ি দৃশ্য। শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোর একটি।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডগান্ধী আশ্রম, জয়গঐতিহাসিক · নোয়াখালী, চট্টগ্রাম১৯৪৬-এর দাঙ্গার পর গান্ধীর নোয়াখালী শান্তি মিশনের স্মৃতিবাহী আশ্রম; গান্ধী ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারি জয়গে আসেন। এখানে গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর ও চরকা/খাদি কেন্দ্র আছে; বর্তমানে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট উন্নয়ন কর্মসূচি চালায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · কক্সবাজার, চট্টগ্রামকক্সবাজার শহরের পাশে সমুদ্রতীর ঘেঁষে ১,৭২৯ হেক্টরের মিশ্র চিরহরিৎ বন, ১৯৮০ সালে ঘোষিত জাতীয় উদ্যান। ভাঙা পাহাড়, ঝর্ণা ও ক্রিসমাস গাছের সারির জন্য পরিচিত; ২৮৬ প্রজাতির পাখি ও হাতি সহ প্রাণীর আবাস। সমুদ্রসৈকত ভ্রমণের সঙ্গে সহজে মেলানো যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ইনানী সমুদ্রসৈকতসমুদ্রসৈকত · কক্সবাজার, চট্টগ্রামউখিয়া উপজেলায় কক্সবাজার সৈকতেরই উত্তরের ১৮ কিমি দীর্ঘ অংশ; পাথর ছড়ানো তীরের জন্য আলাদা চরিত্র। গরম ও বর্ষায় কালো-সবুজ প্রবালপাথর পানির নিচে দেখা যায়। মেরিন ড্রাইভ ঘুরে দিনভ্রমণের জনপ্রিয় গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কালভৈরব মন্দিরঐতিহাসিক · ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রামমেদ্দায় তিতাস নদীর কাছে শিব (কালভৈরব) প্রধান মন্দির; ২৮ ফুট শিবমূর্তি/শিবলিঙ্গের জন্য বিখ্যাত — ধারণা করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম। ১৯৭১-এ মূল মূর্তি ধ্বংসের পর পাথরে ২৪ ফুট মূর্তি পুনর্নির্মিত। বড় শিব উৎসবে ভিড় হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কাপ্তাই হ্রদপ্রকৃতি ও বন · রাঙামাটি, চট্টগ্রামকর্ণফুলী নদীর উপর ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত বাঁধে সৃষ্ট বাংলাদেশের বৃহত্তম মানবসৃষ্ট হ্রদ (আয়তন প্রায় ৬৮৮ বর্গকিমি)। দ্বীপ-দ্বীপচার, নৌ-ভ্রমণ ও রাঙামাটি শহরের ঝুলন্ত সেতু হ্রদকে কেন্দ্র করেই। বাঁধ নির্মাণে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ স্থানচ্যুত হয়েছিল — এলাকার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কেওক্রাডংপাহাড় · বান্দরবান, চট্টগ্রামরুমা উপজেলার জনপ্রিয় পর্বতচূড়া, জিপিএস পরিমাপে প্রায় ৯৮৬ মিটার। সাধারণত বগা হ্রদ থেকে হাঁটা পথে ওঠা হয়। উইকিপিডিয়া স্পষ্ট করেছে: এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু নয়, প্রকৃত সর্বোচ্চ বিন্দু সাকা হাফং।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মহেশখালী দ্বীপপ্রকৃতি ও বন · কক্সবাজার, চট্টগ্রামবাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের বাস। টিলার উপর আদিনাথ মন্দির, পান-বরগা ক্ষেত ও শুঁটকি শিল্পের জন্য পরিচিত। কক্সবাজার থেকে নৌকায় সহজ দিনভ্রমণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মুহুরী বাঁধ (সেচ প্রকল্প)প্রকৃতি ও বন · ফেনী, চট্টগ্রামফেনী, মুহুরী ও কালীদাস-পহালিয়া নদীর মোহনায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের ক্লোজার বাঁধ, ফেনী শহর থেকে প্রায় ১৮ কিমি। শীতে বাঁধ বন্ধ থাকলে পেছনে জলাশয় তৈরি হয় — পিকনিক ও নৌবিনোদনের জনপ্রিয় জায়গা; কাছে বন বিভাগের হরিণ-বানর অভয়ারণ্যও।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নিঝুম দ্বীপপ্রকৃতি ও বন · নোয়াখালী, চট্টগ্রামমেঘনা মোহনার দুর্গম চর থেকে গড়ে ওঠা দ্বীপ; বন বিভাগের রোপিত ম্যানগ্রোভে প্রায় ৫,০০০ চিত্রা হরিণের ঝাঁক, ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত। শীতে পরিযায়ী পাখির ভিড়। নৌপথে যেতে হয়, অবকাঠামো সাধারণ — পরিকল্পনা করে যান।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
নীলাচলপাহাড় · বান্দরবান, চট্টগ্রামবান্দরবান শহরের কাছে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত পর্যটনকেন্দ্র, সরকারি পোর্টাল অনুযায়ী প্রায় ২,৪৬০ ফুট উচ্চতায়। চূড়া থেকে পার্শ্ববর্তী পাহাড় ও উপত্যকার বিস্তৃত দৃশ্য দেখা যায়। সন্ধ্যার আগে পৌঁছালে শহরের আলোকিত দৃশ্যও মেলে।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
নীলগিরিপাহাড় · বান্দরবান, চট্টগ্রামবান্দরবান–থানচি সড়কে প্রায় ২,৩৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পাহাড়চূড়ার পর্যটনকেন্দ্র। মেঘের উপর থেকে সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত এবং চারপাশের পাহাড়ি দৃশ্যের জন্য পরিচিত। শীতে মোটামুটি ঠান্ডা পড়ে, গরম জ্যাকেট নিয়ে যাওয়া ভালো।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতসমুদ্রসৈকত · চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামকর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে বঙ্গোপসাগরের সৈকত, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৪ কিমি দক্ষিণে। বিমানবন্দর ও নৌএকাডেমির পাশে; সূর্যাস্তের জন্য জনপ্রিয়। নৌবাহিনীর টহলে নিরাপদ পরিবেশ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রিসাং ঝর্ণাপ্রকৃতি ও বন · খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রামখাগড়াছড়ি শহর থেকে প্রায় ১০–১১ কিমি দূরে সাপমারা গ্রামে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু পাহাড়ি ঝর্ণা। ২৩৫ ধাপ নামতে হয়। উইকিপিডিয়া অনুযায়ী পর্যটকদের কাছ থেকে ছোট প্রবেশমূল্য নেওয়া হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সেন্ট মার্টিন দ্বীপসমুদ্রসৈকত · কক্সবাজার, চট্টগ্রামবাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে। নারিকেল জিঞ্জিরা, ছেড়া দ্বীপ ও সমুদ্রের স্বচ্ছ পানির জন্য পরিচিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সাজেক ভ্যালিপাহাড় · রাঙামাটি, চট্টগ্রামরাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার কাপ্তাই পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ১,৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পর্যটন গ্রাম। মেঘের সাথে পাহাড়ি রাস্তা ও সূর্যাস্তের জন্য বিখ্যাত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
শালবন বিহার (ময়নামতি)ঐতিহাসিক · কুমিল্লা, চট্টগ্রামলালমাই ময়নামতি পাহাড়ি রেঞ্জে ৭ম–১২শ শতকের বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ; ১১৫টি সন্ন্যাসী কক্ষ ঘিরে ক্রুশাকৃতি মন্দির। পাশে ময়নামতি জাদুঘরে ব্রোঞ্জ মূর্তি, মুদ্রা ও তাম্রশাসন; কুটিলা মুড়া ও চড়পত্র মুড়া কাছেই। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
শুভলং ঝর্ণাপ্রকৃতি ও বন · রাঙামাটি, চট্টগ্রামকাপ্তাই হ্রদের তীরে বরকল উপজেলার উঁচু পাহাড়ি ঝর্ণা; সবুজ পাহাড় ও বনে ঘেরা বলে শুধু নৌপথেই পৌঁছানো যায় (রাঙামাটি শহর থেকে পানির পথে প্রায় ২৫ কিমি)। বর্ষার শেষ থেকে শীতের শুরু পর্যন্ত প্রবাহ ভালো থাকে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
টেকনাফপ্রকৃতি ও বন · কক্সবাজার, চট্টগ্রামমূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম প্রান্ত, নাফ নদীর পাশে — নদীটিই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত। নদীর দৃশ্য ও উপকূলীয় জীবনের জন্য পরিচিত। নাফ পার হওয়ার যেকোনো চেষ্টা নিরাপত্তা ও আইনগত দিক থেকে একেবারেই নিষিদ্ধ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডঢাকা বিভাগ (Dhaka)
আহসান মঞ্জিলশহুরে / দিনভ্রমণ · ঢাকা, ঢাকাবুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত ঢাকা নওয়াবদের (নওয়াব পরিবার) আবাসভবন; এখন জাদুঘর। গোলাপি রঙের কারণে 'পিংক প্যালেস' নামেও পরিচিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
আতিয়া মসজিদঐতিহাসিক · টাঙ্গাইল, ঢাকামুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬১০-১৬১১ সালের দিকে নির্মিত চার গম্বুজবিশিষ্ট প্রাচীন মসজিদ, যা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সুরক্ষিত স্থাপনা। টাঙ্গাইল শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দক্ষিণে লুহাজং নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত। টেরাকোটা অলংকরণ আর নদীতীরের শান্ত পরিবেশ এটিকে দিনভ্রমণের উপযোগী করেছে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বালিয়াটি প্রাসাদঐতিহাসিক · মানিকগঞ্জ, ঢাকা১৯ শতকের জমিদার বাড়ি, প্রায় ৫.৮৮ একর জমির ওপর পরখাল দ্বারা বেষ্টিত সাতটি প্রাসাদ-ভবন নিয়ে গঠিত, ভেতরে প্রায় ২০০ কক্ষ আছে। লবণ ব্যবসায়ী গোবিন্দ রাম শহার পরিবার এই জমিদারি গড়ে তুলেছিল। ১৯৮৭ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে এবং প্রাসাদের পেছনে একটি বড় দিঘি রয়েছে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বঙ্গবন্ধু সমাধি কমপ্লেক্স, টুঙ্গিপাড়াঐতিহাসিক · গোপালগঞ্জ, ঢাকাবাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান ও সমাধি কমপ্লেক্স; ১৯৯৮-২০০১ সালে নির্মিত কমপ্লেক্সে সমাধি, গ্রন্থাগার, জাদুঘর, পৈতৃক ভিটা ও পারিবারিক মসজিদ রয়েছে। জাতীয় দিবসগুলোতে শ্রদ্ধা নিবেদনে ভিড় হয়, বাকি সময় শান্ত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডবিল রুট ক্যানেলপ্রকৃতি ও বন · গোপালগঞ্জ, ঢাকাটেকেরহাটে আড়িয়াল খাঁ নদীকে গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীর সঙ্গে যুক্তকারী সরলরেখার মানবনির্মিত খাল, যার পাশেই ঐতিহাসিক আরপাড়া মুন্সিবাড়ি; অনেক জলাভূমি এ খালে মিশে বলে স্থানীয়রা একে মাদারীপুর বিল রুটও বলে। শান্ত পানির সরলরেখা আর তীরের গ্রামীণ দৃশ্যের জন্য পরিচিত; পানিতে শুশুক মাছও দেখা যায় বলে উৎসে উল্লেখ আছে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · গাজীপুর, ঢাকাঢাকা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ভাওয়াল সালবনের মধ্যে অবস্থিত ৯৪০ হেক্টর মূল এলাকার জাতীয় উদ্যান, চারপাশে ৫,০২২ হেক্টর বন বিস্তৃত। ৩৪৫ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে এবং বন বিভাগ ময়ূর, চিত্রা হরিণ ও অজগর অবমুক্ত করেছে। ঢাকার নিকটতম বনভোজন ও পিকনিক স্পট হিসেবে সপ্তাহান্তে ব্যাপক ভিড় হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরশহুরে / দিনভ্রমণ · ঢাকা, ঢাকা১২ শতকে সেন রাজা বল্লাল সেনের আমলে প্রতিষ্ঠিত বলে বিবেচিত ঢাকার নাম-অনুসারী দেবী ঢাকেশ্বরীর মন্দির; রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হওয়ায় এটি বাংলাদেশের 'জাতীয় মন্দির'। শাক্তপীঠ হিসেবেও গণ্য এবং রমনা কালীবাড়ির ধ্বংসের পর দেশের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উপাসনালয় ও বৃহত্তম মন্দির। প্রতিদিন মূল প্রাঙ্গণের বাইরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
গাজীপুর সাফারি পার্কপ্রকৃতি ও বন · গাজীপুর, ঢাকা২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রায় ৩,৮১০ একর শালবনের ওপর বিস্তৃত এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সাফারি পার্ক, যেখানে ৪৭ প্রজাতির প্রায় ৩,০০০ প্রাণী আছে। কোর সাফারি জোনে বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ ও অন্যান্য প্রাণী খোলা ঘেরে দেখা যায়; বাস বা নির্দিষ্ট যানে চড়ে সাফারি করা যায়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে নতুন নামে দর্শনার্থীদের জন্য পুনরায় খোলা হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
গোয়ালন্দ ঘাটশহুরে / দিনভ্রমণ · রাজবাড়ী, ঢাকাপদ্মার দক্ষিণ তীরে ঐতিহাসিক নদীবন্দর-শহর, ১৮৭১ সালে কলকাতা-গোয়ালন্দ রেলপথ খোলার পর পূর্ববঙ্গ, আসাম ও বার্মাগামী যাত্রীদের প্রধান জল-স্থল কেন্দ্র ছিল। ১৯১৩ সালের বর্ণনায় বলা হয়েছিল 'বঙ্গের জলপথে গোয়ালন্দের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান'। আজ এখান থেকে পদ্মা দেখা ও ডাউলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ব্যস্ততা দেখাই আকর্ষণ; স্টিমার-আমলের স্মৃতি নিয়ে নদীতীরে ঘুরতে পারবেন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হাজীগঞ্জ দুর্গঐতিহাসিক · নারায়ণগঞ্জ, ঢাকাশীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত মুঘল আমলের নদীদুর্গ, সম্ভবত ইসলাম খান ঢাকাকে মুঘল রাজধানী করার পর মাগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের বিরুদ্ধে রক্ষার জন্য নির্মিত। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সুরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত; দেয়াল, তোরণ ও কোণার বেদি অবশিষ্ট আছে, তবে ওয়াচ টাওয়ার ধ্বংসাবশেষ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ইদ্রাকপুর দুর্গঐতিহাসিক · মুন্সিগঞ্জ, ঢাকাপ্রায় ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সুবাদার মীর জুমলা নির্মিত নদীদুর্গ, যা হাজীগঞ্জ ও সোনাকান্দা দুর্গের সঙ্গে ত্রিভুজাকার প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে পর্তুগিজ-মাগ জলদস্যুদের থেকে ঢাকাকে রক্ষা করত। ৩২.৫ মিটার ব্যাসের গোলাকার ড্রাম-টাওয়ার ও গোপন ভূগর্ভস্থ কক্ষে সিঁড়ি এর বিশেষত্ব। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর পরিচালিত এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
লালবাগ কেল্লাশহুরে / দিনভ্রমণ · ঢাকা, ঢাকা১৭শ শতকে শাহজাদা আজম শাহ শুরু করা অসম্পূর্ণ মুঘল দুর্গ। পারি বিবির মাজার, অডিয়েন্স হল ও মুঘল-যুগের জলাধারের জন্য পরিচিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মধুপুর জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · টাঙ্গাইল, ঢাকা১৯৮২ সালে ঘোষিত ৮,৪৩৬ হেক্টরের জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শালবনের অংশ; প্রায় ৪০% এলাকা শাল গাছে আচ্ছাদিত। ভেতরে ১৭৬ প্রজাতির উদ্ভিদ ও ১৯০ প্রজাতির প্রাণী শনাক্ত হয়েছে এবং গারো আদিবাসী সম্প্রদায় এ অঞ্চলে বসবাস করে। ঢাকা থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় দিনভ্রমণের উপযোগী।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রঐতিহাসিক · রাজবাড়ী, ঢাকা'বিষাদ সিঁধু'-র রচয়িতা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের স্মৃতিবিজড়িত প্রতিষ্ঠান, পদমদী নবাব এস্টেট অঞ্চলে; তিনি জীবনের বড় অংশ পদমদির এই জমিদারি এলাকায় কাটিয়েছেন। স্মৃতি কেন্দ্রে তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে সংগ্রহ রাখা হয়। ঢাকা–ফরিদপুর/রাজবাড়ী রুটে সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য বিশেষ গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মহেরা জমিদার বাড়িঐতিহাসিক · টাঙ্গাইল, ঢাকা১৮৯০ সালে কলকাতা-ভিত্তিক কলিচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা ভ্রাতৃদ্বয় নির্মিত উনিশ শতকের জমিদারি প্রাসাদ, প্রায় আট একর জমির ওপর বিস্তৃত। স্থাপনাটি দেশের অন্যতম সুসংরক্ষিত জমিদার বাড়ি হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে ভবনে পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু থাকায় কিছু অংশে প্রবেশসীমা থাকতে পারে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডনাটেশ্বর দেউল (বৌদ্ধ প্রত্নস্থাপনা)ঐতিহাসিক · মুন্সিগঞ্জ, ঢাকাপ্রাচীন বিক্রমপুর অঞ্চলে আবিষ্কৃত প্রায় হাজার বছরের পুরোনো (আনুমানিক ৭৮০-১২২৩ খ্রিস্টাব্দের দুই দখন-পর্ব) বৌদ্ধ প্রত্নস্থাপনা, যেখানে ১৬টি স্তূপ—বাংলাদেশের একমাত্র সম্পূর্ণ পিরামিড আকৃতির স্তূপসহ—বৌদ্ধ বিহার ও ইটের পাকা রাস্তা খননে উদ্ধার হয়েছে। ২০১২-১৩ থেকে ধারাবাহিক খনন চলছে এবং এখানে প্রত্ন উদ্যান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। অতিশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের জন্মভূমি বিক্রমপুর সংযোগে আগ্রহীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
জাতীয় স্মৃতিসৌধশহুরে / দিনভ্রমণ · ঢাকা, ঢাকামুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে সাভারে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ; সাতটি লালচে-সবুজাভ কংক্রিট স্তম্ভের গঠন সবচেয়ে চেনা দৃশ্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নিকলী হাওরপ্রকৃতি ও বন · কিশোরগঞ্জ, ঢাকানিকলী, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মিঠাপানির জলাভূমি; বর্ষায় পুরো অঞ্চল ছোট ছোট দ্বীপ-গ্রামসহ এক বিস্তীর্ণ অন্তর্দেশীয় হ্রদে পরিণত হয়। নৌকায় ভেসে সূর্যাস্ত দেখা, পাখি দর্শন ও জেলেদের জীবন দেখাই এখানকার আসল অভিজ্ঞতা; নিকলীর বেড়িবাঁধে হাঁটাও জনপ্রিয়।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
পদ্মা সেতু (যাজিরা প্রান্ত)শহুরে / দিনভ্রমণ · শরীয়তপুর, ঢাকা৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই-তলা (ওপরে চার-লেন মহাসড়ক, নিচে রেল) সেতু, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন হয়; এটি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলাকে শরীয়তপুরের যাজিরা ও মাদারীপুরের শিবচরের অংশের সঙ্গে যুক্ত করে। সেতুর দক্ষিণ প্রান্তের যাজিরা-শিবচর পাড় থেকে পদ্মার বিস্তীর্ণ দৃশ্য আর প্রাণবন্ত সেতুমুখ বাজার দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
পথরাইল শাহী মসজিদঐতিহাসিক · ফরিদপুর, ঢাকাসুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে (১৫ শতক) নির্মিত বাংলা সুলতানি স্থাপত্যরীতির মসজিদ—আয়তাকার পরিকল্পনায় দশটি সমান গম্বুজ, চার কোণে অষ্টভুজাকার বুরুজ, পাঁচটি পূর্ব-দরজা ও পাঁচটি মিহরাব এবং পুষ্পলতা-রোজেট টেরাকোটা অলংকরণ রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর পরিচালিত ও এখনো সক্রিয় মসজিদ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
শকুনি লেকশহুরে / দিনভ্রমণ · মাদারীপুর, ঢাকামাদারীপুর শহরের কেন্দ্রস্থলের জনপ্রিয় লেক ও উন্মুক্ত বিনোদন এলাকা, জেলা সদর থেকে ৫-৮ কিলোমিটার দূরে; সন্ধ্যায় স্থানীয়দের ভিড় বাড়ে। লেকের মনোরম দৃশ্য, পাখি দর্শন ও ফটোগ্রাফির জায়গা হিসেবে পরিচিত। পদ্মা সেতু দিয়ে আসা ভ্রমণকারীদের শহরে সান্ধ্যকালীন বিরতির জায়গা।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সোনারগাঁওঐতিহাসিক · নারায়ণগঞ্জ, ঢাকাপ্রাচীন বাংলার রাজধানী শহর; মুসলিম ও মুঘল-পূর্ব যুগে বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। বর্তমানে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, পানাম নগর ও গোয়ালদি মসজিদ দেখার মতো।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
তারা মসজিদশহুরে / দিনভ্রমণ · ঢাকা, ঢাকাউনিশ শতকের প্রথমার্ধে মির্জা গোলাম পীর নির্মিত মসজিদ, ১৯২৬ সালে আলী জান বেপারীর সংস্কারে নীল তারা-চিত্রিত চিনি-পোড়া টাইলস দিয়ে অলংকৃত হয়; ১৯৮৭ সালে আরও দুটি গম্বুজ যোগ হয়। নিচু পাহাড়ি গলিতে বসানো পাঁচ গম্বুজের এই মসজিদ ঢাকার সবচেয়ে আলোকচিত্রযোগ্য ধর্মস্থাপনাগুলোর একটি এবং বাংলাদেশের ১০০ টাকার নোটেও এর ছবি ছিল।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ওয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নস্থাপনাঐতিহাসিক · নরসিংদী, ঢাকাবাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-বসতিগুলোর একটি, মূলত খ্রিস্টপূর্ব ৪০০-১০০ সময়ের লৌহযুগীয় স্থাপনা—৬০০x৬০০ মিটার পরিখা-বেষ্টিত নগরভাগ ও প্রায় ৬ কিলোমিটার বাইরের প্রাচীর রয়েছে। প্রাচীন পাকা রাস্তা, পাঞ্চ-মার্কড রৌপ্যমুদ্রা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-রোমান বাণিজ্যের চিহ্ন এর গুরুত্ব বাড়ায়; কিছু গবেষক এটিকে টলেমির বর্ণিত 'সোনাগড়া' বন্দর মনে করেন (অনুমানভিত্তিক)। স্থাপনাগুলো মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে থাকায় গ্রামীণ পথে হাঁটাই পরিদর্শনের প্রকৃত অভিজ্ঞতা।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডখুলনা বিভাগ (Khulna)
আমঝুপি নীলকুঠিঐতিহাসিক · মেহেরপুর, খুলনামেহেরপুর শহর থেকে প্রায় ৬ কিমি পূর্বে কাজলা/ভৈরব নদীর ধারে ইংরেজ আমলের নীলকুঠি; নীল চাষের শোষণ-ইতিহাসের সাক্ষী। পুরাতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত প্রত্নস্থাপনা হিসেবে পরিচিত এবং ১৯৭৮ সাল থেকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। দ্বিতল কুঠিভবন, পাশের দিঘি ও প্রাঙ্গণ দেখার মতো; ভবনগুলোর অবস্থা কিছুটা অবহেলিত।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বেনাপোল সীমান্ত শহরশহুরে / দিনভ্রমণ · যশোর, খুলনাবাংলাদেশের ব্যস্ততম স্থলবন্দর, ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্টের ঠিক বিপরীতে। জিরো পয়েন্টে সীমান্ত-দর্শন এবং আন্তঃদেশীয় ট্রেন ও বাস চলাচলের হাব হিসেবে পরিচিত। যাত্রীদের জন্য শার্শা/বেনাপোল এলাকায় হোটেল ও খাবারের ব্যবস্থা আছে; সীমান্তে ছবি তুলতে নিয়ম মেনে চলুন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডভাতের ভিটাপ্রকৃতি ও বন · মাগুরা, খুলনামাগুরা সদরের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে ফটকী নদীর উত্তর তীরের এক গ্রামীণ নদীতীর-দর্শনীয় স্থান (আড়্ডাবেপারির বর্ণনা অনুযায়ী)। নদীর গ্রামীণ আবহ ও শান্ত পরিবেশের জন্য স্থানীয়রা এখানে আসেন। পর্যটন-সুবিধা ন্যূনতম; দিনের আলোতে ঘুরে আসুন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
দর্শনাশহুরে / দিনভ্রমণ · চুয়াডাঙ্গা, খুলনাচুয়াডাঙ্গার ছোট শিলানগরী ও পৌরসভা, যেখানে বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনির কারখানা কেয়ার অ্যান্ড কোম্পানি (১৯৩৩, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত) এবং ভারতগামী ট্রেনের প্রথম প্রবেশদ্বার রেল-স্থলবন্দর আছে। পুরোনো রেলওয়ে ঐতিহ্য ও সীমান্ত-শহরের আবহ দেখতে আসা যায়। ইতিহাস অনুযায়ী এখানকার স্টেশন ১৮৭১ সালে চালু হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডগুণজনাথ মন্দিরঐতিহাসিক · ঝিনাইদহ, খুলনাকালিগঞ্জের বড় বাজারে অবস্থিত ১৭শ শতকের প্রাচীন মন্দির, ঝিনাইদহের পরিচিত পুরাকীর্তি। আশপাশে পুরোনো মসজিদ ও নলডাঙ্গা মন্দির কমপ্লেক্স থাকায় একসঙ্গে ঘুরে দেখা যায়। ঝিনাইদহ শহর থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরত্বে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হার্ডিঞ্জ ব্রিজঐতিহাসিক · কুষ্টিয়া, খুলনা১৯১২ সালে নির্মিত প্রায় ১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মার ওপর ইস্পাত রেল-ট্রাস সেতু, পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মাঝে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ১৯৭২ সালে পুনরায় চালু হয়। সেতু ও পদ্মার দৃশ্য দেখতে ছবি তোলার জনপ্রিয় স্থান।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
জাহাজঘাটা (শ্যামনগর)ঐতিহাসিক · সাতক্ষীরা, খুলনাশ্যামনগরের ঐতিহাসিক জাহাজঘাটা নৌ-দুর্গের স্থান, যা বাংলাপিডিয়া সাতক্ষীরার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় উল্লেখ করে। সুন্দরবন-মুখী নৌপথের পুরোনো প্রবেশদ্বার হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। আশপাশে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মৎস্যজীবী গ্রাম দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডজেস গার্ডেন পার্কশহুরে / দিনভ্রমণ · যশোর, খুলনাযশোর সদরের শহুরে উদ্যান, যা বাংলাপিডিয়া জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় উল্লেখ করে। পরিবারসহ বিকেল কাটানোর শান্ত স্থানীয় পার্ক। শহরের অন্যান্য স্থাপনার সঙ্গে সহজে একদিনে ঘুরে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ঝাঁপা বাওড় ও ভাসমান সেতুপ্রকৃতি ও বন · যশোর, খুলনামনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকায় ঝাঁপা বাওড়ের ওপর প্রায় ১,৩০০ ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতু — দেশের প্রথম ও দীর্ঘতম ভাসমান সেতু হিসেবে পরিচিত। জেলা প্রশাসনের দর্শনীয়-স্থান তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। বাওড়ের নৌকা-ভ্রমণ, মনোরম জলাভূমির পরিবেশ ও শীতে অতিথি পাখি প্রধান আকর্ষণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
করমজল ইকোট্যুরিজম সেন্টারপ্রকৃতি ও বন · বাগেরহাট, খুলনাসুন্দরবনের প্রবেশমুখী সহজ ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, মংলা থেকে নৌপথে কাছে। এখানে হরিণ, কুমির, বানর ও বিলুপ্তপ্রায় বালিকা কচ্ছপ সম্বলিত প্রজনন কেন্দ্র, কাঠ ও কংক্রিটের উঁচু হাঁটাপথ এবং পর্যবেক্ষণ টাওয়ার রয়েছে। গভীর বনে না গিয়ে সুন্দরবনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়গুলোর একটি।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎসকার্পাসডাঙ্গা নীলকুঠিঐতিহাসিক · চুয়াডাঙ্গা, খুলনাআলমডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গার ঔপনিবেশিক আমলের নীলকুঠি, যা বাংলাপিডিয়া চুয়াডাঙ্গার প্রত্নসম্পদের তালিকায় উল্লেখ করে। নীল চাষের ইতিহাসের সাক্ষী এমন স্থাপনা; জেলার নীলকুঠি-ঐতিহ্য অন্বেষীদের জন্য। অবস্থাপনা সম্পর্কে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
খান জাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু)শহুরে / দিনভ্রমণ · খুলনা, খুলনা২০০৫ সালে চালু হওয়া ১.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ রূপসা নদীর সেতু, যাকে খুলনার গেটওয়ে বলা হয়। সূর্যাস্তের সময় সেতুর দুই প্রান্ত ও নদীর ঘাট থেকে শহুরে দৃশ্য উপভোগের জনপ্রিয় জায়গা। মংলা ও সুন্দরবনমুখী যাত্রাপথে পড়ে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারঐতিহাসিক · বাগেরহাট, খুলনা১৫শ শতকের সুফি সাধক ও শাসক খান জাহান আলীর সমাধিসৌধ, যিনি বাগেরহাটের মসজিদ-নগরী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাধিটি একটি পুরোনো দিঘির তীরে অবস্থিত এবং এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীর-স্মৃতি কেন্দ্র। ছয় গম্বুজ মসজিদ থেকে হেঁটে আসা যায়; পথে ও মাজার চত্বরে স্থানীয় দোকানপাট রয়েছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
লালনের আখড়া (মাজার)ঐতিহাসিক · কুষ্টিয়া, খুলনাবাউলসম্রাট ফকির লালনের আখড়া ও সমাধি, কুষ্টিয়া রেলস্টেশন থেকে প্রায় ২ কিমি দূরে। মূল আখড়ার মাঝেই তাঁকে সমাহিত করা হয়; ১৯৬৩ সালে এখানে মাজার ও গবেষণা কেন্দ্র নির্মিত হয়। বছরে দুইবড় মেলা (দোল পূর্ণিমা ও আষাঢ়ে তোৎসব/মহোৎসব) হয়, যেখানে হাজারো ভক্ত ও বাউল শিল্পী জড়ো হন।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সঐতিহাসিক · মেহেরপুর, খুলনা১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথগ্রহণস্থল, যা বৈদ্যনাথতলা নামে মুজিবনগর হিসেবে পরিচিত। প্রায় ২০ একর জুড়ে স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স; ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানি শাসনের ২৩ বছরের প্রতীক, আর লাল ইটের বর্গক্ষেত্র শপথের জায়গা চিহ্নিত করে। মুক্তিযুদ্ধ-ঐতিহ্য ভ্রমণের কেন্দ্রীয় গন্তব্য।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
নলডাঙ্গা রাজবাড়িঐতিহাসিক · ঝিনাইদহ, খুলনানলডাঙ্গার রাজপরিবারের বাড়ি ও মন্দির-প্রাঙ্গণ, কালিগঞ্জ উপজেলায়। মধ্যযুগীয় বাংলা মন্দির-স্থাপত্যের নিদর্শন এবং জেলার তালিকাভুক্ত দর্শনীয় স্থান। কিছু স্থাপনা সরকারি সংস্কারে টিকে আছে, বাকিগুলো ধ্বংসাবশেষ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নলটা শরীফঐতিহাসিক · সাতক্ষীরা, খুলনাসাতক্ষীরার কালিগঞ্জের নলটা শরীফ শিক্ষাবিদ ও ধর্মীয় সংস্কারক খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ (রহ.)-এর জন্মস্থান ও স্মৃতিকেন্দ্র। মাজার কেন্দ্র করে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসহ বড় একটি প্রাঙ্গণ গড়ে উঠেছে। ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য অঞ্চলের পরিচিত ধর্মীয় গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডনিজনান্দুয়ালী শিব মন্দিরঐতিহাসিক · মাগুরা, খুলনামাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামের প্রাচীন শিব মন্দির, যা আড়্ডাবেপারির তালিকায় ঐতিহ্য, ইতিহাস ও স্থাপত্যের স্বতন্ত্র নিদর্শন হিসেবে বর্ণিত। মাগুরা সদর থেকে দিনভ্রমণে দেখা যায়। মন্দিরের সাম্প্রতিক অবস্থা স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নয় গম্বুজ মসজিদঐতিহাসিক · বাগেরহাট, খুলনা১৫শ শতকে খান জাহান আলীর শাসনামলে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদ; কেন্দ্রে বড় একটি ও চারপাশে আটটি ছোট গম্বুজ। মিহরাবের চারপাশে টেরাকোটা ফুলেল নকশা রয়েছে। ছয় গম্বুজ মসজিদ ও মাজারের সঙ্গে এক হাফ-ডে হেরিটেজ রুটে পড়ে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
পাগলা কানাইয়ের মাজারঐতিহাসিক · ঝিনাইদহ, খুলনাঊনবিংশ শতকের জনপ্রিয় বাউল-ধারার গানের শিল্পী ও গীতিকার পাগলা কানাইয়ের সমাধি, ঝিনাইদহ সদরে। জেলার সাংস্কৃতিক স্মৃতিকেন্দ্র হিসেবে স্থানীয়রা এখানে আসেন। শহরের ভেতরে হওয়ায় যাতায়াত সহজ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, দক্ষিণডিহিঐতিহাসিক · খুলনা, খুলনারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুর বেণী মাধব রায়চৌধুরীর বাড়ি, যেখানে কবি প্রায়ই আসতেন; পরে পুরাতত্ত্ব অধিদপ্তর এটি সংরক্ষিত স্থাপনা ঘোষণা করে জাদুঘরে রূপান্তর করে। খুলনা শহর থেকে দিনভ্রমণের উপযোগী শান্ত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রাধা রমণ স্মৃতি তীর্থ মন্দির, দেবভোগঐতিহাসিক · নড়াইল, খুলনাশ্রী ত্রিভঙ্গ ব্রহ্মচারী প্রতিষ্ঠিত দেবভোগের মন্দির, যাকে জেলা নিবন্ধে 'পরিদর্শনের উল্লেখযোগ্য স্থান' বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্মৃতিতীর্থ হিসেবে স্থানীয় ভক্তদের কাছে পরিচিত। নড়াইল শহর থেকে সহজ দিনভ্রমণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রাজা সীতারাম রায়ের বসতবাটিঐতিহাসিক · মাগুরা, খুলনামধুমতী নদীর তীরে জমিদার রাজা সীতারাম রায়ের বসতবাটির ধ্বংসাবশেষ; মাগুরা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে (আড়্ডাবেপারির বর্ণনা অনুযায়ী)। নদীর গ্রামীণ দৃশ্য ও ইতিহাস একসঙ্গে উপভোগের স্থান। অবস্থাপনা দুর্বল, তাই স্থানীয়ভাবে পথ জেনে যেতে হবে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সাগরদাঁড়ি ও মধুপল্লীঐতিহাসিক · যশোর, খুলনামহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মগ্রাম, কপোতাক্ষ তীরে কেশবপুর উপজেলায়। তাঁর পৈতৃক বাড়ি 'মধুপল্লী' সংরক্ষিত এবং প্রতি বছর জন্মবার্ষিকীতে জেলা পরিষদের আয়োজনে মেলা বসে। কবির স্মৃতি ও নদীর গ্রামীণ দৃশ্য একসঙ্গে উপভোগ করা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
শিলাইদহ কুঠিবাড়িঐতিহাসিক · কুষ্টিয়া, খুলনারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের জমিদারি কুঠি, যেখানে কবি দীর্ঘ সময় কাটিয়ে অনেক বিখ্যাত কবিতা রচনা করেন এবং ১৯১২ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন। পুরাতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে এখন রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর। কুষ্টিয়া ভ্রমণের প্রধান আকর্ষণগুলোর একটি।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
সিঙ্গাইর মসজিদঐতিহাসিক · বাগেরহাট, খুলনাএক গম্বুজবিশিষ্ট বর্গাকার ১৫শ শতকের ইটের মসজিদ, ছয় গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় ২০০ মিটার দক্ষিণ-পূর্বে। পুরু দেয়াল, বাঁকানো কার্নিস ও টেরাকোটা অলংকরণ এর বৈশিষ্ট্য। মসজিদ-নগরী ভ্রমণের সময় সহজে দেখে নেওয়া যায়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
ষাট গম্বুজ মসজিদঐতিহাসিক · বাগেরহাট, খুলনা১৫শ শতকে খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত বাংলার সবচেয়ে বিখ্যাত সুলতানি-যুগের মসজিদ; ১৯৮৫ সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যে অন্তর্ভুক্ত (মসজিদ শহর বাগেরহাট)।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডএস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালাঐতিহাসিক · নড়াইল, খুলনানড়াইলে জন্ম নেওয়া শিল্পী এস এম সুলতানের স্মৃতি সংগ্রহশালা, যেখানে তাঁর কাজ সংরক্ষিত; তাঁর চিত্রকর্ম বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও জাতীয় শিল্পকলা প্রদর্শনীসহ বড় সংগ্রহেও আছে। শিল্পীর প্রাকৃতিক-কৃষক-নিভিড় চিত্রকর্মের প্রেক্ষাপট নড়াইলের নদী-গ্রাম। চিত্রকলায় আগ্রহীদের জন্য জেলার প্রধান আকর্ষণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সুন্দরবনপ্রকৃতি ও বন · খুলনা, খুলনাপৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন; রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। নৌপথে করচ/গাছ ও খালের নেটওয়ার্ক ঘুরে দেখতে হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সুন্দরবন পশ্চিম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যপ্রকৃতি ও বন · সাতক্ষীরা, খুলনাসুন্দরবনের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তিনটি কোর অভয়ারণ্যের পশ্চিমতমটি; বাঘ, চিতল হরিণ, মাছ ধরানো বিড়াল, কুমিরসহ প্রায় ৪০ স্তন্যপায়ী, ২৬০ পাখি ও ৩৫ সরীসৃপের আবাস। সাধারণ পর্যটকদের জন্য এটি শ্যামনগর/বুড়িগোয়ালিনী দিক থেকে অনুমোদিত নৌভ্রমণের মাধ্যমে দেখার গন্তব্য। কোর এলাকায় প্রবেশ নিয়ম সময়ে সময়ে বদলায় — যাওয়ার আগে বন বিভাগের বর্তমান নিয়ম যাচাই করুন।
সরাসরি নিশ্চিতকৃতময়মনসিংহ বিভাগ (Mymensingh)
বাহাদুরাবাদ ঘাটঐতিহাসিক · জামালপুর, ময়মনসিংহযমুনার তীরে ঐতিহাসিক রেল ফেরি টার্মিনাল; ১৯১২ সালে জামালপুর থেকে রেললাইন বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত বাড়ানো হয় এবং এখান থেকে টিস্টামুখ ঘাটে রেল ফেরি চলত। নারায়ণগঞ্জ–বাহাদুরাবাদ ঘাট লাইনের স্টেশনটি এখন অচল, তবে নদীর দৃশ্য ও পুরনো রেল ইতিহাস দেখতে আগ্রহীদের কাছে আকর্ষণীয়। জামালপুর জেলার উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে জেলার তালিকায় রয়েছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ফিশ মিউজিয়ামপ্রকৃতি ও বন · ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রধান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,২০০ একরের নদীতীরবর্তী ক্যাম্পাস; পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং শহরকেন্দ্র থেকে প্রায় ৫ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে। গাছপালা, খোলা মাঠ ও নদীর ধারে হাঁটার জন্য শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। ক্যাম্পাসে ফিশ মিউজিয়াম অ্যান্ড বায়োডাইভার্সিটি সেন্টার দেখার মতো।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বিজয়পুর চিনামাটির খনি ও নীল হ্রদপ্রকৃতি ও বন · নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ১৯৫৭ সালের ভূতাত্ত্বিক জরিপে চিহ্নিত দেশের প্রধান চিনামাটির খনি এলাকা; কালো, লালচে, বাদামি ও নীলচে স্তরের মাটির পাহাড় আর খননে তৈরি নীল হ্রদ এখন জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। ২০১৬ সালে পরিবেশগত কারণে আদালতের নির্দেশে উত্তোলন বন্ধ হলেও পর্যটন চলছে। বিজয়পুরের পথে কারুকাজে খোদাই করা কুল্লাগড়া মন্দিরটিও দেখার মতো।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বিরিশিরি ও চিনামাটির পাহাড়পাহাড় · নেত্রকোণা, ময়মনসিংহগারো পাহাড়ের পাদদেশে সোমেশ্বরী নদীর তীরে বিরিশিরি গ্রাম ও চিনামাটির (সাদা মাটির) পাহাড় — নেত্রকোণার সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা। রঙিন স্তরের চিনামাটির পাহাড়, সোমেশ্বরীর স্বচ্ছ নীল পানি, উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি, সাগর দিঘি (কমলা রাণীর দিঘী), দুর্গাপুর রাজবাড়ী ও নৌকায় পার হয়ে রানীখং মিশন একসঙ্গে দেখা যায়। এলাকার অধিবাসীদের বড় অংশ গারো ও হাজং আদিবাসী।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
ছোরপাড় মোড় ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরশহুরে / দিনভ্রমণ · ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহময়মনসিংহ শহরের উত্তর প্রান্ত ধরে বয়ে চলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীর, যার কেন্দ্রে ছোরপাড় মোড়। বিকেলে স্থানীয়দের ভিড়ের এই নদীতীরটি শহরের প্রাণকেন্দ্র গাঙ্গিনাপাড় রোড, টাউন হল মোড় ও জিরো পয়েন্টের কাছে। নদীর ওপারে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দেখা যায়; বিপিন পার্ক নদীর ধারে ছোট একটি পার্ক।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
গজনী অবকাশ কেন্দ্রপ্রকৃতি ও বন · শেরপুর, ময়মনসিংহ১৯৯৩ সালে শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গারো পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত প্রায় ৯০ একরের অবকাশ কেন্দ্র; উত্তরে ভারতের মেঘালয়। শাল, সেগুন ও গজারী গাছের বন, পাহাড়ি পথ ও পিকনিকের জায়গা এখানকার আকর্ষণ; শেরপুর জেলার জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান তালিকায় স্থান পেয়েছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃতগান্ধী আশ্রম, জামালপুরঐতিহাসিক · জামালপুর, ময়মনসিংহ১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক গান্ধী আশ্রম জামালপুর শহর থেকে প্রায় ১৫ কিমি দূরে ঝিনাই নদীর তীরে অবস্থিত; মহাত্মা গান্ধী-অনুপ্রাণিত গ্রামোন্নয়ন ও তৎকালীন সমাজকর্মের স্মৃতি বহন করে। শান্ত নদীর পাশের পরিবেশটিই এখানকার মূল আকর্ষণ। ভবনগুলোর বর্তমান অবস্থা স্থানীয়ভাবে যাচাই করে যাবেন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডলাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্রপ্রকৃতি ও বন · জামালপুর, ময়মনসিংহবকশীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি-অরণ্য ও হ্রদ ঘেরা জনপ্রিয় পিকনিক ও অবকাশ কেন্দ্র, জামালপুর সদর থেকে ৫০ কিমি উত্তরে। লাউচাপড়ার পাহাড়, অরণ্য ও লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এটি জেলার ভেতরের পর্যটকদের কাছে পরিচিত। শীতের পিকনিক মৌসুমে সবচেয়ে ভিড় হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মধুতীলা ইকো পার্কপ্রকৃতি ও বন · শেরপুর, ময়মনসিংহ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ৩৮০ একরের গভীর সবুজ বন ও ইকো পার্ক, গারো পাহাড়ের পাদদেশে ভারত সীমান্তের কাছে অবস্থিত। পাহাড়ি ট্রেইল, পাখি দেখা ও ওয়াচটাওয়ার থেকে বনের দৃশ্য এখানকার আকর্ষণ; শীতের দিনে পিকনিকের ভিড় হয়। এটি শেরপুর জেলার সবচেয়ে পরিচিত প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি (আটআনি জমিদার বাড়ি)ঐতিহাসিক · ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহময়মনসিংহ থেকে প্রায় ২০–২৫ কিমি পশ্চিমে মুক্তাগাছায় ব্রাহ্মণ জমিদার পরিবারের রাজবাড়ি; এখন আংশিকভাবে শহীদ স্মৃতি কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত এবং অবহেলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। বাড়ির ঠিক বাইরে ২০০ বছরের পুরনো যমজ শিবমন্দির আছে, যেখানে দুর্গাপূজাও হয়। মুক্তাগাছা ঐতিহ্যবাহী মণ্ডা মিষ্টির জন্যও বিখ্যাত।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
ময়মনসিংহ জাদুঘরশহুরে / দিনভ্রমণ · ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ১৯৬৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের অন্যতম পুরনো জাদুঘর; জমিদার মদন বাবুর বাগানবাড়িতে অবস্থিত। মুক্তাগাছা, গৌরীপুর ও আঠারবারীর জমিদারবাড়ি থেকে সংগৃহীত মূর্তি, ঘড়ি, প্রাণীর কর ও দুর্লভ জিনিসপত্রের সংগ্রহ এখানে রাখা আছে। বাংলা মাসের শুক্র–সপ্তাহাহ্নিক ছুটি ছাড়া খোলা থাকে — সর্বশেষ সময়সূচি স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত করুন।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
সোমেশ্বরী নদীপ্রকৃতি ও বন · নেত্রকোণা, ময়মনসিংহমেঘালয়ের নোকরেক পর্বত থেকে নেমে আসা ট্রান্সবাউন্ডারি নদী, যা সুসং-দুর্গাপুর হয়ে কংস নদীতে মেশে; গারো পাহাড় অঞ্চলের দীর্ঘতম নদী। শীতে পানি স্বচ্ছ ও নীলাভ হয়, আর চিনামাটির পাহাড়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দৃশ্যই বিরিশিরির প্রধান আকর্ষণ। নদী দিয়ে বিজয়পুর ও রানীখং যেতে নৌকা পারাপার ব্যবহার হয়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
সুসং দুর্গাপুর রাজবাড়ী ও সাগর দিঘীঐতিহাসিক · নেত্রকোণা, ময়মনসিংহসোমেশ্বরীর তীরে প্রাচীন সুসং দুর্গাপুর শহরে শেষ পাল রাজার বাসভবন খ্যাত দুর্গাপুর রাজবাড়ী এবং কমলা রাণীর দিঘী নামেও পরিচিত সাগর দিঘি অবস্থিত; দিঘির দক্ষিণ-পশ্চিম পাড় এখনো টিকে আছে। পাশে মঠগড় ও উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমিও একই সফরে দেখা যায়। এসব স্থানের কারণে দুর্গাপুর পর্যটকদের কাছে সুনাম পেয়েছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালাশহুরে / দিনভ্রমণ · ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহশিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের (১৯১৪–১৯৭৬) শিল্পকর্ম নিয়ে গড়া জাতীয় জাদুঘরের শাখা, ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত। এখানে তাঁর তেলচিত্র, ১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষের স্কেচ ধারার কাজ এবং ব্যবহৃত সামগ্রী (কুশপাত্র, রঙের টিউব, চশমা ইত্যাদি) প্রদর্শিত হয়। পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে জাদুঘর প্রাঙ্গণে আর্ট কটেজ ও উন্মুক্ত মঞ্চ আছে; প্রতি ডিসেম্বরে বার্ষিক অনুষ্ঠান হয়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃতরাজশাহী বিভাগ (Rajshahi)
বাঘা মসজিদঐতিহাসিক · রাজশাহী, রাজশাহীসুলতান নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ ৯৩০ হিজরি (১৫২৩/২৪ খ্রি.)-এ নির্মিত বাংলা সুলতানি আমলের অন্যতম সুন্দর মসজিদ। দেয়ালজুড়ে ফুল-ফলের টেরাকোটা অলংকরণ, দশটি গম্বুজ ও পাশে পুরনো দিঘি রয়েছে; ১৮৯৭-এর ভূমিকম্পে গম্বুজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এখনো নামাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
চলন বিলপ্রকৃতি ও বন · নাটোর, রাজশাহীউত্তরবঙ্গের বৃহত্তম জলাভূমি — আয়তনে নাটোর (৪০%), সিরাজগঞ্জ (৩৫%) ও পাবনা (২৫%)। শীতে পাখি, বর্ষায় জলে জেলেনৌকা ও নৌভ্রমণ; ৪৭টি নদী-খাল এই বিলে এসে মেশে, মূল প্রবাহ আত্রাই। একক স্থাপনা নয় — নাটোরের সিংড়া/গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ বা পাবনার ভাঙুরা দিক থেকে স্থানীয় নৌকা ভাড়া করে ঘুরতে হয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডচাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানপ্রকৃতি ও বন · চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীচাঁপাইনবাবগঞ্জ 'আমের রাজ্য' — হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি ও গোপালভোগের বিশাল বাগান জেলাজুড়ে ছড়িয়ে আছে। মে থেকে আগস্টের মধ্যে, বিশেষত জুনের দিকে, বাগানে ধরন-ধারণ ও গাছের আম খাওয়ার অভিজ্ঞতা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। কংসাত ও সদরের বাগানগুলো সবচেয়ে সহজে প্রবেশযোগ্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ছোট সোনা মসজিদঐতিহাসিক · চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে (১৪৯৩–১৫১৯) নির্মিত বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাক-মুঘল স্থাপনা। ইট-পাথরের পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের নাম 'সোনা' এসেছে একসময়ের সোনালি গম্বুজ থেকে; দেয়ালে পাথরের খোদাই ও চিনামাটির ফলক রয়েছে। গৌড় অঞ্চলের স্থাপনাগুলো ঘুরতে এলে প্রথম থামার জায়গা।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
গোকুল মেধ (বেহুলার বাসর ঘর)ঐতিহাসিক · বগুড়া, রাজশাহীমহাস্থানগড় থেকে প্রায় ২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে খননকৃত স্তূপ-ভিত্তি, লোকজ কাহিনিতে 'বেহুলার বাসর ঘর'। ১৯৩৪–৩৬ সালে খননে ১৭২টি কক্ষের ধাপে ধাপে ওঠা ভিত বেরিয়ে আসে; পাশে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ। মহাস্থান ট্রিপের সঙ্গেই দেখে নেওয়া যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দিরঐতিহাসিক · সিরাজগঞ্জ, রাজশাহীবাংলাদেশে আবিষ্কৃত নবরত্ন মন্দিরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় — তিনতলা ইটের স্থাপনা, টেরাকোটায় মোড়া, নয়টি চূড়ার নামানুসারে 'নবরত্ন'। স্থানীয়ভাবে 'দোলমঞ্চ' নামে পরিচিত; কাছে আরও তিনটি পুরনো মন্দির। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত; উল্লাপাড়া হয়ে আধা দিনের ট্রিপ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হিন্দা-কসবা শাহী মসজিদঐতিহাসিক · জয়পুরহাট, রাজশাহী১৯৫৮ সালে পীর আবদুল গফুর চিশতির নকশায় নির্মিত মুঘল-অনুকরণ ধাঁচের মসজিদ — পাঁচ গম্বুজ, ৪০ ফুট মিনার এবং কাচ, ভাঙা পোরসেলিন ও মোজাইকে আঁকা দেয়ালের জন্য জয়পুরহাটের সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনা। জেলা শহর থেকে প্রায় ১৬ কিমি। নামে 'শাহী' থাকলেও এটি মুঘল আমলের স্থাপনা নয় — ২০শ শতকের স্থাপত্য।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
জোড় বাংলা মন্দির (পাবনা)ঐতিহাসিক · পাবনা, রাজশাহীপাবনা শহরের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী জোড়-বাংলা ঘরানার মন্দির — দুটি মাটির ঘরের মতো বাঁকানো চাল, একটি বারান্দা আরেকটি আশ্রয়কক্ষ হিসেবে। শহরের ভেতরে হওয়ায় রিকশায় সহজে যাওয়া যায় এবং শহরের অন্য দর্শনীয় স্থানের সঙ্গে মেলানো যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
খেরুয়া মসজিদঐতিহাসিক · বগুড়া, রাজশাহী১৫৮২ সালে (৯৮৯ হিজরি) নওয়াব মির্জা মুরাদ খান নির্মিত আদি মুঘল আমলের তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ, এখনো নামাজে ব্যবহৃত। ইট-পাথরের গায়ে সরল কিন্তু মার্জিত নকশা; বগুড়া শহরের কাছে হওয়ায় মহাস্থান ট্রিপের সঙ্গে যুক্ত করা সহজ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কুসুম্বা মসজিদঐতিহাসিক · নওগাঁ, রাজশাহী১৫৫৯ সালে সম্পন্ন সুরি আমলের মসজিদ, যা 'বাংলাদেশের কালো রত্ন' নামে পরিচিত। অন্ধকার পাথরের গায়ে সুন্দর খিলান ও মেহরাব, তিনটি গম্বুজ; ১৮৯৭-এর ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংরক্ষিত। নাওগাঁ সদর থেকে মান্দা হয়ে আধা দিনের ভ্রমণে মানানসই।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মহাস্থানগড়ঐতিহাসিক · বগুড়া, রাজশাহীবাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-প্রত্নস্থল — অন্তত খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে পুণ্ড্রনগর নামে বসবাসের প্রমাণ আছে। প্রায় ১.৫ কিমি লম্বা মাটির দুর্গপ্রাচীর, করতোয়া নদীর ধারে ভাসু বিহার ও সাইট মিউজিয়াম ঘুরতে বেশ কয়েক ঘণ্টা লাগে। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি উত্তরে, দিনভ্রমণের আদর্শ গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মুঘল তাহখানাঐতিহাসিক · চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীশাহজাহানের ছেলে ও বাংলার সুবেদার শাহ সুজা তার পীর শাহ সৈয়দ নিয়ামতউল্লাহর স্মরণে নির্মিত তিনতলা স্থাপনা — নামের অর্থ 'ঠান্ডা প্রাসাদ'। চত্বরে হাম্মাম, মসজিদ ও সমাধি রয়েছে এবং এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত। ছোট সোনা মসজিদের কাছে হওয়ায় একই ট্রিপে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নাটোর রাজবাড়ীঐতিহাসিক · নাটোর, রাজশাহীরাজশাহী রাজ পরিবারের প্রধান বাসভবন, প্রায় ৫০ একর জায়গায় ছড়ানো একাধিক প্রাসাদ-ব্লক। বিখ্যাত রানী ভবানী এখানেই সংসার ও জমিদারি সামলেছেন এবং প্রাসাদ সম্প্রসারণ করেছেন। ১৮৯৭-এর ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুনর্নির্মিত ব্লকগুলো এখন পরিদর্শনযোগ্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
পুঠিয়া মন্দির চত্বরঐতিহাসিক · রাজশাহী, রাজশাহীবাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ঐতিহাসিক মন্দির এক জায়গায়। পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, বড় আহ্নিক, জগন্নাথ (রথ) মন্দির ও দেশের বৃহত্তম শিব মন্দিরের টেরাকোটায় মোড়া দেয়াল শ্যামসাগর দিঘির ধারে ছড়িয়ে আছে; পাশেই ১৮৯৫ সালের পুঠিয়া রাজবাড়ি। রাজশাহী থেকে দিনভ্রমণের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রাজশাহী রেশম (রেশমশিল্প ঐতিহ্য)শহুরে / দিনভ্রমণ · রাজশাহী, রাজশাহীরাজশাহী শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রেশমশিল্পের জন্য বিখ্যাত; ২০২১ সালে রাজশাহীর রেশম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) মর্যাদা পায়। শহরের রেশমের শোরুম ও তাঁতশালায় রেশমি শাড়ি-থ্রিপিস সরাসরি কিনতে পারবেন। এটি কোনো একক স্থাপনা নয়, শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহ্য — কেনাকাটার জন্য আধা দিন রাখতে পারেন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি, শাহজাদপুরঐতিহাসিক · সিরাজগঞ্জ, রাজশাহীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের জমিদারি কাছারি, এখন রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর। কবি এখানে এসে 'সোনার তরী', 'বিষর্জনা' ও 'চিত্রার অংশ লিখেছেন; সাত কক্ষের দোতলা ভবনে তাঁর ব্যবহৃত জিনিসপত্র রাখা আছে। চলন বিল অঞ্চলের সঙ্গে মিলিয়ে সিরাজগঞ্জ ট্রিপের কেন্দ্রীয় আকর্ষণ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সোমপুর মহাবিহারঐতিহাসিক · নওগাঁ, রাজশাহী৮ম শতকে পাল রাজবংশের অধীনে নির্মিত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধ বিহার; ১৯৮৫ সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। আকর্ষণীয় টেরাকোটা ফলক ও কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য বিখ্যাত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
উত্তরা গণভবন (দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি)ঐতিহাসিক · নাটোর, রাজশাহী১৭৩৪ সালে রানী ভবানীর দেওয়ান দয়ারাম রায় নির্মিত ইন্দো-সারাসেনিক রাজপ্রাসাদ, ঘড়ি-ফটক ও ইতালীয় মার্বেলের ভাস্কর্যের জন্য পরিচিত। ১৯৭২ সালে এটি উত্তরাঞ্চলের সরকারি বাসভবন হিসেবে ঘোষিত হয়; ২০১৮ সালে ভেতরে জাদুঘর চালু হয়। যেহেতু এটি রাষ্ট্রীয় বাসভবন, কোন অংশ কখন দর্শনার্থীদের জন্য খোলা তা আগে যাচাই করুন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরশহুরে / দিনভ্রমণ · রাজশাহী, রাজশাহী১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত, বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর। বরেন্দ্র অঞ্চলের পাল-সেন যুগের বৌদ্ধ ও হিন্দু পাথরের ভাস্কর্য, সংস্কৃত-আরবি-ফারসি ও প্রাচীন বাংলা লিপির শিলালিপি এবং আদিবাসী সংস্কৃতির গ্যালারি এখানে আছে। রাজশাহী শহরে অবস্থিত বলে আধা ঘণ্টার মধ্যে দেখে নেওয়া যায়; পাশেই শহরের অন্য স্থানগুলো।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডরংপুর বিভাগ (Rangpur)
বালাসীঘাটপ্রকৃতি ও বন · গাইবান্ধা, রংপুরজেলা শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি পূর্বে ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ঐতিহাসিক ঘাট; জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায় আছে। বিস্তীর্ণ নদী ও সূর্যাস্তের জন্য পরিচিত।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টপ্রকৃতি ও বন · পঞ্চগড়, রংপুরবাংলাদেশের সুদূর উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের বিন্দু — ভারত, নেপাল ও ভুটানের বাণিজ্যিক সংযোগের জন্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। পঞ্চগড় শহর থেকে ৫৭ কিমি উত্তরে; পাশে মহানন্দা নদীর তীর ও পাহাড়ি দিগন্ত। দেশের উত্তরতম প্রান্ত হিসেবে দর্শনার্থীদের জনপ্রিয় গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ভিতরগড়ঐতিহাসিক · পঞ্চগড়, রংপুর৫ম শতকের আশপাশে নির্মিত প্রাচীন প্রাচীরবেষ্টিত নগরীর ধ্বংসাবশেষ; ২৫ বর্গকিমি জুড়ে ছড়ানো চার স্তরের কেন্দ্রক-আকৃতির পরিখা ও প্রাচীর দেখা যায়। উত্তর দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাচীরবেষ্টিত নগররাষ্ট্র হিসেবে বর্ণিত — প্রত্ন-আগ্রহীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
বুড়িমারী স্থলবন্দরশহুরে / দিনভ্রমণ · লালমনিরহাট, রংপুরলালমনিরহাটের পাটগ্রামে বাংলাদেশ-ভারত (পশ্চিমবঙ্গ) সীমান্তে অবস্থিত ব্যস্ত স্থলবন্দর; সীমান্ত ফটক, বন্দর অবকাঠামো ও পাশের তিন বিঘা করিডোর-দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা এলাকা দেখতে আসা মানুষের গন্তব্য।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
কারমাইকেল কলেজ, রংপুরশহুরে / দিনভ্রমণ · রংপুর, রংপুর১৯১৬ সালের ১০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শহরের শূন্য বিন্দু থেকে প্রায় ৪ কিমি দক্ষিণে। প্রায় ২০৬ একরের সবুজ ক্যাম্পাসে পুরনো একাডেমিক ভবন, বৃক্ষরাজি ও পুকুর রয়েছে — শহুরে শান্ত হাঁটার জায়গা।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
চর রাজীবপুরপ্রকৃতি ও বন · কুড়িগ্রাম, রংপুরব্রহ্মপুত্র-জামুনা অববাহিকার নদীবেষ্টিত চর উপজেলা; উপজেলার এক-তৃতীয়াংশ নদীজ ভূমি — দৃশ্যময় নদীপাড়ের গ্রাম ও কাশফুলে ঢাকা বালুচর। ভোলারহাট–কালাইরচরে বাংলাদেশের প্রথম বর্ডার হাটও এখানে। চর-ভ্রমণ ও নদীর সূর্যাস্তের জন্য বিশেষ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
চিলমারী বন্দরপ্রকৃতি ও বন · কুড়িগ্রাম, রংপুরব্রহ্মপুত্র নদের তীরে চিলমারীর ঐতিহাসিক নদীবন্দর — জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। বিস্তীর্ণ নদীর জলরাশি, লঞ্চ/নৌযান ও সূর্যাস্ত দেখার জায়গা; কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদ-দৃশ্যের সহজ প্রবেশদ্বার।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
চিনি মসজিদ, সৈয়দপুরঐতিহাসিক · নীলফামারী, রংপুর১৮৬৩ সালে সৈয়দপুরের ইসলামবাগে নির্মিত ছোট ও সুরুচিসম্পন্ন মসজিদ; কাচ ও রঙিন অলংকরণে সাজানো বলে 'চিনি মসজিদ' নামে পরিচিত। সৈয়দপুর রেল ঐতিহ্য ঘুরে দেখার সঙ্গে একসঙ্গে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেডঢোলার হাট মন্দিরঐতিহাসিক · ঠাকুরগাঁও, রংপুরজামালপুর জামে মসজিদের পাশাপাশি ঠাকুরগাঁও জেলার প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত দ্বিতীয় প্রত্নস্থাপনা — একটি প্রাচীন মন্দির। জেলা-স্তরের উৎসে নিশ্চিত; গ্রাম-স্তরের অবস্থান স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
ফ্রেন্ডশীপ সেন্টারঐতিহাসিক · গাইবান্ধা, রংপুরফুলছড়ির কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মদনেরপাড়া গ্রামে অবস্থিত প্রশিক্ষণ ও সম্মেলন কেন্দ্র, স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত — স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরীর এই কাজ ২০১৪-১৬ চক্রের আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার পেয়েছে। জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায়ও আছে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
জামালপুর জামে মসজিদঐতিহাসিক · ঠাকুরগাঁও, রংপুরঠাকুরগাঁও জেলার বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত দুটি প্রত্নস্থাপনার একটি — পুরনো ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। জেলার স্তরের উৎসে স্থাপনাটি নিশ্চিত, তবে গ্রাম-স্তরের সঠিক অবস্থান ও স্থানাঙ্ক স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কান্তজীর মন্দিরঐতিহাসিক · দিনাজপুর, রংপুর১৮শ শতকে (নবাব আলীবর্দী খানের আমলে) নির্মিত নবরত্ন হিন্দু মন্দির, বাংলাদেশের সর্বাধিক অলংকৃত টেরাকোটা অলঙ্করণের জন্য বিখ্যাত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
কাজী অ্যান্ড কাজী চা বাগানপ্রকৃতি ও বন · পঞ্চগড়, রংপুরতেতুলিয়ার সমতল সবুজ মাঠে ছড়ানো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিখ্যাত জৈব চা বাগান। পঞ্চগড় শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিমি উত্তরে, তেতুলিয়া বাজার থেকে প্রায় ১০ কিমি দক্ষিণে। পঞ্চগড়ের সমতল চাষের চা অঞ্চল হিসেবে উত্থানের প্রতীক — তবে এটি চালু বাণিজ্যিক বাগান, ঢুকতে অনুমতি লাগে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নয়াবাদ মসজিদঐতিহাসিক · দিনাজপুর, রংপুর১৭৯৩ সালে (মুঘল সম্রাট শাহ আলমের আমলে) ধেপা নদীর পাশে নির্মিত ১২.৪৫ × ৫.৫ মিটার মাপের তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ; চার কোণে অষ্টকোণাকার মিনার। দেয়ালের পুরুত্ব ১.১ মিটার। কান্তজীউ মন্দিরের কাছাকাছি হওয়ায় একসঙ্গে ঘুরে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নিদাড়িয়া মসজিদঐতিহাসিক · লালমনিরহাট, রংপুরলালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ঐতিহ্যবাহী মসজিদ; কিষাণত নগাইবান্ধ মৌজায়, রংপুর–কুড়িগ্রাম মহাসড়ক থেকে ২ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত বলে তালিকায় উল্লেখ আছে।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
নীলসাগরপ্রকৃতি ও বন · নীলফামারী, রংপুরনীলফামারী জেলা সদর থেকে উত্তর-পশ্চিমে ১৪ কিমি দূরে গোড়গ্রাম ইউনিয়নে অবস্থিত প্রায় ৫৪ একরের (জলভাগ ৩২.৭০ একর) প্রাচীন দিঘি, যা কথিত আছে বৈদিক রাজা বিরাট খনন করেন। ১৯৭৯ সালে জেলার নামানুসারে 'নীলসাগর' নামকরণ; শীতে পাখি ও পিকনিকের জনপ্রিয় জায়গা। (লক্ষণীয়: জনপ্রিয় ধারণার বিপরীতে এটি নীলফামারীতে, দিনাজপুরে নয়।)
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
পাইকবাড়ি বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রঐতিহাসিক · রংপুর, রংপুরনারীশিক্ষা ও অধিকারের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার (১৮৮০) জন্মস্থান মিঠাপুকুর উপজেলার পাইকবাড়ি গ্রাম। এখানে তার জীবন, কর্ম ও উত্তরাধিকার নিয়ে প্রদর্শনীসহ একটি স্মৃতিকেন্দ্র আছে; প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর (বেগম রোকেয়া দিবস) এখানে অনুষ্ঠান হয়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃতরামরাই দিঘিপ্রকৃতি ও বন · ঠাকুরগাঁও, রংপুররাণীশংকৈল উপজেলার ঐতিহাসিক বড় দিঘি; জেলা-স্তরের উইকিপিডিয়া পাতার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় উল্লেখ আছে। শীতে পাখি দেখা ও নদী-দিঘি পার্শ্ববর্তী গ্রামীণ দৃশ্যের জন্য পরিচিত (স্থানীয়ভাবে বিস্তারিত যাচাই করুন)।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রামসাগর জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · দিনাজপুর, রংপুরদিনাজপুর শহরের কাছে তাজপুরে অবস্থিত ২৭.৭৫ হেক্টরের জাতীয় উদ্যান, যার কেন্দ্রে রয়েছে প্লাসি যুদ্ধের আগে রাজা রামনাথ কর্তৃক খননকৃত ঐতিহাসিক রামসাগর দিঘি (প্রায় ১,০৭৯ মিটার লম্বা)। শীতে পরিযায়ী পাখি ও পিকনিকের জন্য জনপ্রিয়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ও রেল ঐতিহ্যশহুরে / দিনভ্রমণ · নীলফামারী, রংপুর১৮৭০ সালে ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বাংলাদেশের বৃহত্তম; আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ের প্রধান কারখানা ছিল এবং শহরটিই এই কারখানাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। পুরনো রেল কলোনি, ওয়ার্কশপ ও ঔপনিবেশিক স্থাপনা রেল-ঐতিহ্যপ্রেমীদের আকর্ষণ। শহরেই রংপুর বিভাগের একমাত্র বিমানবন্দর (সৈয়দপুর)।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মীরের বাগানের ঐতিহাসিক শাহসুলতান গাজীর মসজিদঐতিহাসিক · গাইবান্ধা, রংপুরগাইবান্ধা সদরের দাড়িয়াপুরে মীরের বাগান এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মসজিদ, জেলা প্রশাসনের দর্শনীয় স্থান তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে অটো/রিকশা/সিএনজিতে পৌঁছানো যায়।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
তাজহাট জমিদার বাড়িঐতিহাসিক · রংপুর, রংপুররংপুর শহর থেকে প্রায় ৬ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত উত্তরবঙ্গের অন্যতম সুন্দর জমিদার বাড়ি। লাল ইট, সাদা পাথর ও চুনাপাথরে নির্মিত দ্বিতল প্রাসাদটিতে এখন প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর রয়েছে — প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, হস্তলিপি ও ভাস্কর্যসহ প্রায় ২,১০০ সংগ্রহ। ১৯৮৪–৯১ সালে এখানে হাইকোর্ট শাখা চালু ছিল; ১৯৯৫ সালে সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ ঘোষিত হয়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
তিস্তা ব্যারেজ ও অবসর রেস্ট হাউজপ্রকৃতি ও বন · লালমনিরহাট, রংপুরতিস্তা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের ব্যারেজ; জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায় 'তিস্তা ব্যারেজ ও অবসর রেস্ট হাউজ' হিসেবে আছে। হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) ও ডিমলা (নীলফামারী) পাশ ঘেঁষে বিস্তীর্ণ নদী-বাঁধ ও সবুজ দৃশ্য; সূর্যাস্তের জন্য জনপ্রিয়।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎস
তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলঐতিহাসিক · লালমনিরহাট, রংপুরভারতবেষ্টিত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলকে মূল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করতে কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে নির্মিত ঐতিহাসিক তিন বিঘা করিডোর — ছিটমহল ইতিহাসের এক অনন্য সাক্ষী। জেলা প্রশাসনের পর্যটন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
সরকারি/অফিসিয়াল উৎসসিলেট বিভাগ (Sylhet)
আলী আমজাদের ঘড়িশহুরে / দিনভ্রমণ · সিলেট, সিলেটসুরমা নদীর উত্তর পাড়ে কিন ব্রিজের পাশে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঘড়িটাওয়ার, যা ১৮৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন পৃথিমপাশার নবাব আলী আহমদ খান — তাঁর ছেলে নবাব আলী আমজাদ খানের নামে নামকরণ। উইকিভয়েজ একে 'সিলেটের বিগ বেন' বলে উল্লেখ করেছে (সেখানে নির্মাণকাল ভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে; উইকিপিডিয়ার ১৮৭২ সালের তথ্যই গ্রহণ করা হয়েছে)। সন্ধ্যায় সুরমা নদী, লোহার কিন ব্রিজ ও ঘড়িটাওয়ারের দৃশ্য শহরের জনপ্রিয় আকর্ষণ।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
বিছানাকান্দিপ্রকৃতি ও বন · সিলেট, সিলেটগোয়াইনঘাটের পিয়াইন নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা একটি পাথর কোয়ারি গ্রাম, যেখানে খাসিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝরনাধারার স্বচ্ছ পানির ওপর স্তূপাকার পাথর দেখা যায়। শুকনো মৌসুমে পানি কম থাকায় পাথর ও নদীর দৃশ্য সবচেয়ে ভালো দেখা যায়; বর্ষায় পানি বেড়ে নৌকা ছাড়া যাওয়া কঠিন হয় এবং পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি থাকে। সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় দিনভ্রমণের গন্তব্য।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
হাকালুকি হাওরপ্রকৃতি ও বন · মৌলভীবাজার, সিলেটপ্রায় ১৮১ বর্গকিমি আয়তনের এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি, যা মূলত মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ী ও বারলেখা এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জ-ফেঞ্চুগঞ্জ জুড়ে বিস্তৃত এবং পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ঘোষিত। এখানে ৫৫৮ প্রজাতির প্রাণী ও পাখি শনাক্ত হয়েছে; শীতে অতিথি পাখির ভিড় বাড়ে। বর্ষায় পুরো হাওর পাঁচ মাস পর্যন্ত পানিতে থাকে এবং আয়তন প্রায় চার গুণ বেড়ে যায় — নৌপথই মূল মাধ্যম; শুকনো মৌসুমে বিলগুলো ছোট হয়ে যায়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহঐতিহাসিক · সিলেট, সিলেট১৪শ শতকের সুফি সাধক শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার; ১৫০৫ সালের শিলালিপি অনুযায়ী মূল সমাধি নির্মিত এবং ১৬৭৮ সালে ফরহাদ খানের সময়ে বর্তমান সমাধিসৌধ নির্মিত হয়। কমপ্লেক্সে দরগা গেট, চারটি মসজিদ (বড় গম্বুজ সবচেয়ে বড় কাঠামো), চশমা কূপ, পবিত্র গজার মাছের পুকুর ও লঙ্গরখানা রয়েছে। প্রতিদিন শত শত ভক্ত আসেন; সমাধি এলাকায় শুধু পুরুষরা প্রবেশ করতে পারেন, নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে। প্রতি বছর ১৫ মার্চ ওরস অনুষ্ঠিত হয়।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত
জাফলংপ্রকৃতি ও বন · সিলেট, সিলেটসিলেটের গোয়াইনঘাটে ভারতের খাসিয়া-জন্তা পাহাড়ের পাদদেশে পিয়াইন নদীর তীরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী পর্যটনকেন্দ্র। পাহাড় থেকে নেমে আসা নদী ও পাথর সংগ্রহের দৃশ্যের জন্য পরিচিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · মৌলভীবাজার, সিলেটপশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বনের ভেতর প্রায় ১,২৫০ হেক্টরের আধা-চিরসবুজ জাতীয় উদ্যান, ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই ঘোষিত। এখানে মোট ৪৬০ প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে রয়েছে মার্জিত উল্লুক (পশ্চিমা হুলক) — ২০০৭ সালের আদমশুমারিতে ৬২টি সদস্যের ১৭টি দল পাওয়া যায়, যা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় টিকে থাকা হুলক জনসংখ্যা। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে হওয়ায় চা বাগান সফরের সঙ্গে সহজে যুক্ত করা যায়; ভোরের প্রকৃতি-ট্রেইল সবচেয়ে ফলপ্রসূ।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতপ্রকৃতি ও বন · মৌলভীবাজার, সিলেটপাথরিয়া পাহাড় থেকে গঙ্গামারা ছড়ার পানি প্রায় ২০০ ফুট (৬১ মিটার) উচ্চতায় ঝরে পড়ে — বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু জলপ্রপাত, যা শ্রীমঙ্গলের চা বাগান রেকর্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থান (বারলেখা উপজেলায়)। আশপাশে বন, ছড়া ও প্রায় ৫০০ একরের ইকো পার্ক রয়েছে, যেখানে পিকনিক ও দিনভ্রমণে প্রচুর পর্যটক আসেন। স্থানটির হিন্দু ধর্মীয় গুরুত্বও আছে — পাশে মন্দির ও বার্ষিক মেলা বসে।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
নীলাদ্রি লেক, টেকেরঘাটপ্রকৃতি ও বন · সুনামগঞ্জ, সিলেটপরিত্যক্ত চুনাপাথর খনি (কোয়ারি) থেকে সৃষ্ট একটি জলাধার, যার গভীর নীল পানি ও মেঘালয়ের পাহাড়ের প্রেক্ষাপট এটিকে টাঙ্গুয়ার হাওর ট্রিপের অন্যতম আকর্ষণ করে তুলেছে; স্থানীয়ভাবে 'গাঢ় নীল' রঙের জন্য প্রসিদ্ধ। অক্টোবর থেকে মার্চ সবচেয়ে ভালো সময়, যখন পানি শান্ত ও আকাশ পরিষ্কার থাকে। টেকেরঘাটের ধার থেকে ছোট ইঞ্জিন নৌকায় লেক ঘোরা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রাতারগুল জলাবনপ্রকৃতি ও বন · সিলেট, সিলেটবাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন, গোয়াইন নদীর তীরে ফতেপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। ভরা মৌসুমে (মনসুন) করচ গাছের ডগা পর্যন্ত পানি উঠে নৌকায় ঘুরে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যপ্রকৃতি ও বন · হবিগঞ্জ, সিলেট১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৯৬ সালে সম্প্রসারিত, বর্তমানে প্রায় ১,৭৯৫ হেক্টরের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য — ছুনিয়ারা/চুনারুঘাটে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত ঘেঁষে। এখানে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি ও ৬৩৮ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে; মুখপোড়া হনুমান, লাজুক উল্লুক, কালো মোহনা প্রভৃতি দেখা যায়। কালেঙ্গা, রেমা, চাম্বারী ও রশিদপুর — চার বিট নিয়ে গঠিত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সাদা পাথর, ভোলাগঞ্জপ্রকৃতি ও বন · সিলেট, সিলেটকোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ভোলাগঞ্জে ঢালাই নদীর তীরে সাদা পাথরে বিস্তৃত একটি দৃশ্যময় কোয়ারি এলাকা, যা গত কয়েক বছরে দ্রুত পর্যটনস্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে ২০২৪ সালের আগস্টের পর ব্যাপক পাথর উত্তোলনে ১৫ একরের পর্যটন এলাকাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে; সাইটটি সাময়িক বন্ধ ও পুনরায় খোলার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। যাওয়ার আগে বর্তমান অবস্থা ও খোলা আছে কি না যাচাই করে নিন।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানপ্রকৃতি ও বন · হবিগঞ্জ, সিলেট২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ২৪৩ হেক্টরের জাতীয় উদ্যান, চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে ভারত-সীমান্তঘেঁষা টিলাভূমিতে অবস্থিত। এখানে সমালোচনাভাবে বিপন্ন পশ্চিমা হুলক উল্লুকসহ ফায়রের লাজুক বানর, মুখপোড়া হনুমান, বটবৃক্ষ-ভিমরাজ পাখি প্রভৃতি বন্যপ্রাণী আছে। চারপাশে নয়টি চা বাগান ঘিরে রেখেছে; ঢাকা থেকে প্রায় ১৩০ কিমি।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
সিলেট শাহী ঈদগাহঐতিহাসিক · সিলেট, সিলেটঔরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ১৭শ শতকে ফৌজদার ফরহাদ খানের তত্ত্বাবধানে পাহাড়ের ওপর নির্মিত মুঘল আমলের উন্মুক্ত ঈদনামাজের প্রাঙ্গণ। এটি একটি বিশাল মুঘল দুর্গের আদলে নকশা করা; তিনটি ফটক, ১৫টি গম্বুজ ও অর্ধগম্বুজযুক্ত মিনার রয়েছে। ঈদের জামাতে এখানে বিশাল জনসমাগম হয়; বছরের অন্য সময়ে ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
শিমুল বাগান, তাহিরপুরপ্রকৃতি ও বন · সুনামগঞ্জ, সিলেটতাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ে প্রায় ৩০ একরে সাড়ে তিন হাজার শিমুল গাছের বাগান; বিএসএস জানায় শিমুল ফুল ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ফুটতে শুরু করে এবং অন্তত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকে, তখন ফুলের পাপড়ি ঘাসে লাল কার্পেটের মতো পড়ে থাকে। ফুলের মৌসুমে দৈনিক গড়ে ৫০০-৭০০ পর্যটক আসেন। ফুল না ফোটা মৌসুমে দৃশ্য সাধারণ — ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহই সেরা সময়; পাশে যাদুকাটা নদী ও মেঘালয়ের পাহাড় দেখা যায়।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
শ্রীমঙ্গল চা বাগানপ্রকৃতি ও বন · মৌলভীবাজার, সিলেটবাংলাদেশের 'চায়ের রাজধানী'। বিস্তীর্ণ চা বাগান, লস্করপুর বাঁশবাগান, মাধবপুর লেক ও সাতরঙা চায়ের জন্য বিখ্যাত। কাছেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত।
কমিউনিটি-রিপোর্টেড
টাঙ্গুয়ার হাওরপ্রকৃতি ও বন · সুনামগঞ্জ, সিলেটসুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও তাহিরপুর জুড়ে প্রায় ১০০ বর্গকিমির 'সব হাওরের মা' — ২০০০ সালের ১০ জুন রামসার সাইট (রেফারেন্স ১০৩১) ঘোষিত আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলাভূমি। প্রতি শীতে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখি আসে এবং হাওরে ১৪০-র বেশি মিঠাপানির মাছের প্রজাতি আছে। বর্তমানে হাউসবোট ভ্রমণের জন্য জনপ্রিয়; বর্ষায় হাওর পানিতে ভরে যায় এবং নৌপথই একমাত্র মাধ্যম, শীতে পানি কমে।
সরাসরি নিশ্চিতকৃত