মেরিন ড্রাইভ রোড
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিমি — একপাশে পাহাড় অন্যপাশে সমুদ্র; পথে ঝাউবন, দোলনা বিচ, রেজুখাল আর সাম্পান নৌকার দৃশ্য
ভ্রমণ গাইড
Cox's Bazar Beach · কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগ

দিনভর গাড়ি: রিজার্ভ সিএনজি, অটো বা চাঁদের গাড়ি — ভাড়া হালনাগাদ করে নিন — ৳800-6,000
ভাড়া ও দাম সময়ের সাথে বদলায় — যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।
ঢাকা → কক্সবাজার
রাতে ছেড়ে সকালে পৌঁছায়; শোভন চেয়ারে যাত্রা
টিপ: টিকিট শেষ হয়ে যায় দ্রুত — এক-দেড় সপ্তাহ আগে অনলাইনে কেটে নিন
ঢাকা → কক্সবাজার
সাদাবাস টার্মিনাল থেকে হানিফ, শ্যামলী, এস আলমসহ একাধিক পরিবহন; রাত ৯-১০টার বাস ভোরে পৌঁছায়
টিপ: সময়ের নমনীয়তা চাইলে বাসই সুবিধা; নন-এসি সিট কম দামে পাওয়া যায়
ডলফিন মোর → ইনানি / পাটোয়ারটেক / শাহপরীরদ্বীপ
রিজার্ভ সিএনজি/অটো দিনভর ঘুরিয়ে দেয়; চাঁদের গাড়ি ১০-১২ জনের গ্রুপে সস্তা
টিপ: অফসিজনে দরদামে ভাড়া কমে; ছুটির দিনে বেশি চায়
শহরের ভেতরে ও কাছাকাছি স্পট
রেলস্টেশন → ডলফিন মোর, সুগন্ধা → হিমছড়ি, ডলফিন মোর → রামু — সবই লোকাল অটো/সিএনজিতে
ডলফিন মোর থেকে মেরিন ড্রাইভ
প্রায় সব ব্র্যান্ড পাওয়া যায়; পেট্রোল নিজের; লাইসেন্স থাকলে টেকনাফ পর্যন্তও যাওয়া যায়
টিপ: নেওয়ার আগে বাইকের ভিডিও ধরে রাখুন — ফেরতের সময় ঝামেলা এড়াতে
ঘাট ৬ → মহেশখালী
১৫-২০ মিনিটের যাত্রা; লোকাল যাত্রীদের সাথে গেলে জনপ্রতি ভাড়া, গ্রুপে গেলে পুরো বোট রিজার্ভ
ঢাকা → কক্সবাজার
দিনের ট্রেনও চলে — ভোর ৬টায় ছেড়ে বিকেল ৩টায় পৌঁছায় (প্রায় ৮ ঘণ্টা); স্নিগ্ধা এসি চেয়ার জনপ্রতি ৳১,৩৫০, নন-এসি ৳৭০০ থেকে শুরু।
টিপ: এক সপ্তাহ আগে অনলাইনে টিকেট কাটুন; মোবাইলে বুকিং কপিই যথেষ্ট, প্রিন্ট লাগে না।
কক্সবাজার রেলস্টেশন → শহর / ডলফিন মোর
স্টেশনে সরকারি ভাড়ার চার্ট আছে — একজন ৳২০, রিজার্ভ ৳১০০; রাইডটা প্রায় ১০ মিনিট।
টিপ: ভাড়াওয়ালে ৳১৫০–২০০ চাইতে পারে — চার্ট দেখিয়ে দরদাম করুন, আর স্টেশনের বাইরে দালালের কথায় কান দেবেন না।
রেলস্টেশন → কলাতলি
স্টেশনের সামনে বিআরটিসি বাস কলাতলি পর্যন্ত জনপ্রতি ৳২০।
টিপ: বাজেটে যাতায়াতের সবচেয়ে সস্তা উপায়।
কক্সবাজার → হিমছড়ি → ইনানি → পাতুয়ারটেক
পুরো মেরিন ড্রাইভ সার্কিটের জন্য সিএনজি/চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ করা যায়; দিনভর ভাড়া গাড়ি ও দরদাম ভেদে ভিন্ন।
টিপ: সকাল ১০টা–দুপুর ২টার স্লটে ভাড়া প্রায় অর্ধেক; রেজুখাল ব্রিজ এক লেনের — শুক্রবারে জ্যাম বেশি।
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিমি — একপাশে পাহাড় অন্যপাশে সমুদ্র; পথে ঝাউবন, দোলনা বিচ, রেজুখাল আর সাম্পান নৌকার দৃশ্য

পাহাড়ের চূড়া থেকে সমুদ্র আর মেরিন ড্রাইভ একসাথে দেখা যায়; বর্ষায় ঝর্ণাগুলো পূর্ণতা পায়; সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়
ভেতরে যেতে: ৳30-40 (জনপ্রতি)
মনে রাখুন: সিঁড়ি বেশ কষ্টকর — বয়স্ক বা হার্টের সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলাই ভালো

ভাটার সময় প্রবালপাথর স্পষ্ট — বিকেলের আলোই সবচেয়ে সুন্দর; কক্সবাজারের ব্যস্ত সৈকত থেকে আলাদা শান্ত অনুভূতি
মনে রাখুন: পাথর ভেজা ও শেওলাধরা — সাবধানে, খালি পায়ে চলুন
সবুজ পাহাড় আর প্রবালপাথরের নিড়িবিড়ি সৈকত — ভিড় থেকে দূরে শান্তি চাইলে দারুণ জায়গা
ভাটার সময় বালুতে লাল কাঁকড়ার দেখা মেলে; ঝাউবনের ছায়া আর দোলনা পাশেই
মনে রাখুন: বিকেলে কাঁকড়া দেখা যায় না — ভাটার সময় মিলবে
শত ফুট বুদ্ধমূর্তি আর প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির; পাশে ছায়াঘেরা রাবার বাগান — বিকেলের সময়টা আরামদায়ক
ভেতরে যেতে: ৳20 (জনপ্রতি)

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ — আদিনাথ মন্দির, মিনি কাশ্মীরের টিলা, উইন্ডমিল আর বিখ্যাত মিষ্টি পান
দেশের সবচেয়ে বড় শুটকি পল্লী; সৈকতের শুরুতে অসাধারণ সূর্যাস্ত — গলিত সোনার মতো পানি
শহরের এসি অ্যাকোয়ারিয়াম — 3D আর্ট গ্যালারি, মুভি আর মিরর জোনসহ; বাচ্চাদের জন্য ভালো
ভেতরে যেতে: ৳240-2,000 (জনপ্রতি)
ঝিনুকের আকৃতিতে বানানো — বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলস্টেশন বলে দাবি; সামনের দিক থেকে ছবি তোলা যায়, স্ট্রাকচারের উপর ওঠা নিষেধ।
সন্ধ্যায় সাগরের টাটকা মাছ কেজি দরে — কেনা, ভাজা/বারবিকিউ করানো সব এখানেই; দাম মাছ ভেদে ভিন্ন
সায়মন এলাকার পরিচ্ছন্ন রেস্টুরেন্ট — কোরাল বারবিকিউ, বিফ কালো ভুনা, চিকেন চাপ প্রশংসিত; দুই ভ্রমণকারীর তুলনায় এগিয়ে
ওশান প্যারাডাইসের পেছনে; ভর্তা প্ল্যাটার আর কালো ভুনা পাওয়া যায় — স্বাদ নিয়ে মত ভিন্ন, গড়পড়তা বলেই মনে হয়েছে অনেককে
পৌশি বা কলাতলি রেস্টুরেন্টে মাতৃভাষার নাশতা — দুটোই মোটামুটি
সৈকতের পাশের রেস্টুরেন্টে দেশি লাঞ্চ; ভিন্ন ভ্রমণকারীর হিসাবে খরচ ভিন্ন — সীমিত দোকানের এলাকা
সৈকতের ধারে সবখানেই; পর্যটন এলাকায় প্রথমে বেশি চায় — দরদাম করুন
কলাতলির কাছে, লাইভ মাছ বেছে নিয়ে ফ্রাই/বারবিকিউ; স্কুইড একটু তেতো লাগতে পারে
সকালের সেট প্যাকেজ ৳২০০ (আলাদা কিছু কেনা যায় না), লাঞ্চ ৳১৮০, খিচুড়ি ৳১৭০ — খাওয়ার মতো, বিলাসিতা নয়।
ডলফিন মোর মোড়ের ভালো রেস্টুরেন্টগুলোতে ৳১০০–১৫০-তে পেট ভরে নাস্তা।
কলাতলির কাছে লোকাল রেস্টুরেন্টে ভাত, মাছ, ভর্তা ও শাকসবজিসহ পেট ভরে দুপুরের খাবার প্রায় ৳১৫০-য়।
রুম সার্ভিসে দুইজনের সেট-মেনু ডিনার (রূপচাঁদা ভুনা-ভাত) মোট ৳১,৩৫০ — সেট মেনুতে ১৫% ছাড়; লইট্টা ফ্রাই ৳২৫০; বিচের দোকানে ডাব ৳১৫০ (দাম কার্যত ফিক্সড)।
বেশিরভাগ পর্যটক এই এলাকায়ই থাকে — হোটেল সবচেয়ে ঘন, সৈকত হাঁটার দূরত্বে। বাজেটে সুন্দর রুম পেতে একটু খোঁজাখুঁজি করুন; যত বিচের কাছে, তত ভালো।
একজন অভিজ্ঞ বাজেট-ভ্রমণকারীর নিজের খরচের হিসাব থেকে — রুম ও বাইক ভাগাভাগি করলে জনপ্রতি কম পড়ে
| ঢাকা→কক্সবাজার ট্রেন (ভ্যাটসহ) | ৳720 |
| স্টেশন→ডলফিন মোর অটো | ৳20 |
| সকালের নাস্তা | ৳60 |
| রুম (২ জন মিলে ১৫০০)রুম ও বাইক ভাগাভাগি করলে | ৳750 |
| দুপুরের লাঞ্চ | ৳200 |
| রাতের খাবার | ৳150 |
| দ্বিতীয় দিনের নাস্তা | ৳60 |
| বাইক (৫ ঘণ্টা, ২ জনে ভাগে ১০০০)রুম ও বাইক ভাগাভাগি করলে | ৳500 |
| দুপুরের লাঞ্চ | ৳200 |
| রাতের খাবার | ৳150 |
| ফেরার বাস কক্সবাজার→ঢাকা | ৳800 |
| জনপ্রতি মোট | ৳3,610সবকিছু একা নিলে: ৳4,860 |
রুম আর বাইক একা নিলে জনপ্রতি মোট প্রায় 4,860 টাকা হয়; ভাগাভাগিতে প্রায় 3,610। প্রতিবেদিত খরচ — বর্তমানে ভিন্ন হতে পারে।
ভাড়া ও দাম সময়ের সাথে বদলায় — যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।
হালনাগাদ: 18 অক্টোবর 2026